ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ই-পেপার

রাউজানে যুবদলকর্মী করিম হত্যায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই: এসপি মাসুদ

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:৩৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী করিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম। তিনি বলেন, নিহত করিমের বিরুদ্ধে ছিনতাই, ডাকাতিসহ নয়টি মামলা রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন এসপি মো. মাসুদ আলম। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. জুনায়েত কাউছার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ, হাটহাজারী থানার ওসি, সীতাকুণ্ড থানার ওসিসহ জেলা পুলিশের অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার মাসুদ বলেন, রাউজানের উরকিরচর এলাকার কেরানীহাট নামের স্থানে করিমকে হত্যা করা হয়। স্থানটি প্রত্যন্ত এলাকায়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটির সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উরকিরচর ইউনিয়নের কেরানীহাট এলাকায় ৪-৫টি মোটরসাইকেলে করে এসে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিমকে ঘিরে ধরে সন্ত্রাসীরা। প্রথমে কিরিচ দিয়ে করিমের ঘাড়ে ও মাথায় কোপানো হয়, পরে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতকেরা।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে রাউজানে ২৭টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে ২০টি হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। একই সময়ে শতাধিক গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ সাড়ে ৩ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রাউজানে যুবদলকর্মী করিম হত্যায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই: এসপি মাসুদ

আপডেট সময়ঃ ০৪:৩৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী করিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম। তিনি বলেন, নিহত করিমের বিরুদ্ধে ছিনতাই, ডাকাতিসহ নয়টি মামলা রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন এসপি মো. মাসুদ আলম। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. জুনায়েত কাউছার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ, হাটহাজারী থানার ওসি, সীতাকুণ্ড থানার ওসিসহ জেলা পুলিশের অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার মাসুদ বলেন, রাউজানের উরকিরচর এলাকার কেরানীহাট নামের স্থানে করিমকে হত্যা করা হয়। স্থানটি প্রত্যন্ত এলাকায়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটির সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উরকিরচর ইউনিয়নের কেরানীহাট এলাকায় ৪-৫টি মোটরসাইকেলে করে এসে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিমকে ঘিরে ধরে সন্ত্রাসীরা। প্রথমে কিরিচ দিয়ে করিমের ঘাড়ে ও মাথায় কোপানো হয়, পরে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতকেরা।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে রাউজানে ২৭টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে ২০টি হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। একই সময়ে শতাধিক গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ সাড়ে ৩ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।