ঢাকা, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ই-পেপার

একটিতে জামিন পাওয়ার পরে ফের শ্যোন অ্যারেস্ট, এই হচ্ছে দেশের আইন: সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:০৭:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: একটি মামলায় জামিন হওয়ার পর আবারও শ্যোন অ্যারেস্ট ‘এই হচ্ছে সরকার, দেশের আইন’ বলে আদালতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা পৃথক দুই হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে শুনানির জন্য তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

বেলা ১২টার দিকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্য দিয়ে ঢাকার সিএমএম আদালতের হাজতখানা থেকে তাকে আদালতের এজলাসে নেওয়া হয়। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একটি মামলায় জামিন হওয়ার পরে আবারও শ্যোন অ্যারেস্ট দেখায়_এই হচ্ছে সরকার, দেশের আইন! একটি মামলায় দুই বছর সাজা খাটলাম। এরপর জামিন হয়েছে, আবারও আরেক মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখায়। এই তো আইন?”

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “আমি আওয়ামী লীগের পক্ষে জাতির কাছে ক্ষমা চাইলে তো হবে না। যে চাওয়ার যোগ্য, সে চাইলে হবে। যদি তিনি মনে করেন। তবে আমি মনে করি না, এই মুহূর্তে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার কোনো বিষয় আছে।”

এর আগে, গত ৩ সেপ্টেম্বর তাকে এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তারা। একটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজিমউদ্দীন ফকির এবং অপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই রফিকুল ইসলাম ভূইয়া। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখেন বুধবার।

ওইসব আবেদনে বলা হয়, আসামি মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছেন মর্মে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।

এদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ আলম শাহীনসহ অন্যরা এর বিরোধিতা করে শুনানিতে বলেন, আসামি পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা। এসব মামলার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। আসামি একজন বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তি। এসব বিষয় বিবেচনা করে তাকে গ্রেপ্তার না দেখানোর আবেদন করেন তারা। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হারুন অর রশীদ ও শামসুদ্দোহা সুমন তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন।

শুনানি চলাকালে আদালতের অনুমতি নিয়ে সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেন, “এর আগে আমার বিরুদ্ধে মামলা করেন লাভলী বেগম। তিনি আদালতে হলফনামা দিয়ে বলেন, আমার জামিন হলে তার কোনো আপত্তি নেই। আমাকে যখন জামিন দিল, ঠিক সেই মুহূর্তে আবারও নতুন করে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন। আমি এসব মামলায় জড়িত নই। আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি জিয়াউর রহমান সাহেবের আমলে এমপি, স্বতন্ত্র হয়েও এমপি, খালেদা জিয়ার আমলে এমপি, শেখ হাসিনার আমলে এমপি হয়েছি। আমি আটবার এমপি হয়েছি। আমার জীবনে কোনো স্পট নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আমার বয়স ৭৭ বছর। আমি কিডনি রোগে ভুগছি। হার্টের সমস্যা আছে। আমি নানান অসুবিধার মধ্যে আছি। আমি মনে করি, জামিন পাওয়ার হকদার। আল্লাহর পরে হাকিম (বিচারক)। হাকিম যদি সত্যিই ওই জায়গায় থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই মনে করি, আমার জামিন পাওয়ার যোগ্যতা আছে।”

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। শুনানি শেষে তাকে আবারও কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

হত্যা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানার উত্তর কুতুবখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতাকে প্রতিহত করতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন আসামি ফিরোজসহ মামলার এজাহারনামীয় আসামি এবং ২৫০ থেকে ৩০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামির এলোপাতাড়ি গুলিতে ভিকটিম নাইম হাওলাদার (১৭) বাম কাঁধের সামনের দিকে গুলিবিদ্ধ হন।

পরে আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাইমের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করে ১৯৩ জনের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দেশব্যাপী চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সুবর্ণা পান্না ম্যানসন, উত্তর কুতুবখালী, যুবশক্তি সংসদ রোড, চকওয়ালার ছয়তলা ভবনের ছাদে অবস্থান করছিলেন ভিকটিম মো. তারেক চৌকিদার (২৪) ও তার রুমমেট শিহাব।

এ সময় শিহাব গুলিবিদ্ধ হলে বাদী ও তার রুমমেটকে রক্ষার জন্য এগিয়ে গেলে মামলার এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা অন্য আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ছাত্র-জনতাকে প্রতিহত করতে গুলি চালায়। এতে তারেক চৌকিদারের বাম হাতের ওপরের অংশে গুলি লাগে এবং তিনি আহত হন। ওই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৮ জনের নাম উল্লেখ করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৩ আগস্ট রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

আ স ম ফিরোজ পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে তিনি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নির্বাচিত হন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

একটিতে জামিন পাওয়ার পরে ফের শ্যোন অ্যারেস্ট, এই হচ্ছে দেশের আইন: সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ

আপডেট সময়ঃ ০৪:০৭:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: একটি মামলায় জামিন হওয়ার পর আবারও শ্যোন অ্যারেস্ট ‘এই হচ্ছে সরকার, দেশের আইন’ বলে আদালতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা পৃথক দুই হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে শুনানির জন্য তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

বেলা ১২টার দিকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্য দিয়ে ঢাকার সিএমএম আদালতের হাজতখানা থেকে তাকে আদালতের এজলাসে নেওয়া হয়। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একটি মামলায় জামিন হওয়ার পরে আবারও শ্যোন অ্যারেস্ট দেখায়_এই হচ্ছে সরকার, দেশের আইন! একটি মামলায় দুই বছর সাজা খাটলাম। এরপর জামিন হয়েছে, আবারও আরেক মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখায়। এই তো আইন?”

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “আমি আওয়ামী লীগের পক্ষে জাতির কাছে ক্ষমা চাইলে তো হবে না। যে চাওয়ার যোগ্য, সে চাইলে হবে। যদি তিনি মনে করেন। তবে আমি মনে করি না, এই মুহূর্তে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার কোনো বিষয় আছে।”

এর আগে, গত ৩ সেপ্টেম্বর তাকে এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তারা। একটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজিমউদ্দীন ফকির এবং অপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই রফিকুল ইসলাম ভূইয়া। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখেন বুধবার।

ওইসব আবেদনে বলা হয়, আসামি মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছেন মর্মে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।

এদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ আলম শাহীনসহ অন্যরা এর বিরোধিতা করে শুনানিতে বলেন, আসামি পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা। এসব মামলার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। আসামি একজন বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তি। এসব বিষয় বিবেচনা করে তাকে গ্রেপ্তার না দেখানোর আবেদন করেন তারা। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হারুন অর রশীদ ও শামসুদ্দোহা সুমন তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন।

শুনানি চলাকালে আদালতের অনুমতি নিয়ে সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেন, “এর আগে আমার বিরুদ্ধে মামলা করেন লাভলী বেগম। তিনি আদালতে হলফনামা দিয়ে বলেন, আমার জামিন হলে তার কোনো আপত্তি নেই। আমাকে যখন জামিন দিল, ঠিক সেই মুহূর্তে আবারও নতুন করে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন। আমি এসব মামলায় জড়িত নই। আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি জিয়াউর রহমান সাহেবের আমলে এমপি, স্বতন্ত্র হয়েও এমপি, খালেদা জিয়ার আমলে এমপি, শেখ হাসিনার আমলে এমপি হয়েছি। আমি আটবার এমপি হয়েছি। আমার জীবনে কোনো স্পট নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আমার বয়স ৭৭ বছর। আমি কিডনি রোগে ভুগছি। হার্টের সমস্যা আছে। আমি নানান অসুবিধার মধ্যে আছি। আমি মনে করি, জামিন পাওয়ার হকদার। আল্লাহর পরে হাকিম (বিচারক)। হাকিম যদি সত্যিই ওই জায়গায় থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই মনে করি, আমার জামিন পাওয়ার যোগ্যতা আছে।”

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। শুনানি শেষে তাকে আবারও কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

হত্যা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানার উত্তর কুতুবখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতাকে প্রতিহত করতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন আসামি ফিরোজসহ মামলার এজাহারনামীয় আসামি এবং ২৫০ থেকে ৩০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামির এলোপাতাড়ি গুলিতে ভিকটিম নাইম হাওলাদার (১৭) বাম কাঁধের সামনের দিকে গুলিবিদ্ধ হন।

পরে আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাইমের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করে ১৯৩ জনের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দেশব্যাপী চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সুবর্ণা পান্না ম্যানসন, উত্তর কুতুবখালী, যুবশক্তি সংসদ রোড, চকওয়ালার ছয়তলা ভবনের ছাদে অবস্থান করছিলেন ভিকটিম মো. তারেক চৌকিদার (২৪) ও তার রুমমেট শিহাব।

এ সময় শিহাব গুলিবিদ্ধ হলে বাদী ও তার রুমমেটকে রক্ষার জন্য এগিয়ে গেলে মামলার এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা অন্য আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ছাত্র-জনতাকে প্রতিহত করতে গুলি চালায়। এতে তারেক চৌকিদারের বাম হাতের ওপরের অংশে গুলি লাগে এবং তিনি আহত হন। ওই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৮ জনের নাম উল্লেখ করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৩ আগস্ট রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

আ স ম ফিরোজ পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে তিনি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নির্বাচিত হন।