লংমার্চে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা হলে বিএনপি হাত গুটিয়ে থাকবে না: রিজভী
- আপডেট সময়ঃ ০৬:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৮ বার পড়া হয়েছে
বিরোধীরা নানা ষড়যন্ত্র করছে অভিযোগ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা হচ্ছে। কম দামে কীভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা না করে বিরোধী দলের লংমার্চে সরকারের বিরুদ্ধে যেসব ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা মোটেও কাম্য নয়। এক দফা কর্মসূচি দিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে বিএনপি হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এ কথা বলেন। এর আগে বিএনপির সহযোগী সংগঠনগুলোর যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে রিজভী বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতেই এসব পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপগুলোকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্যও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে বিএনপি আওয়ামী লীগের মতো করে সন্ত্রাস প্রতিহত করবে না বলেও জানান তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিভিন্ন স্থানে আগুন দেওয়ার ঘটনার পেছনে পরাজিত শক্তির সঙ্গে গোপনে কেউ হাত মিলিয়েছে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এ বিষয়ে দেশের মানুষ ও বিএনপির সমর্থকেরা পুরোপুরি ওয়াকিবহাল আছেন।
প্রশাসনের ভেতরের ষড়যন্ত্রকারীদের বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে রিজভী বলেন, প্রশাসনের ভেতরে থেকেও কেউ কেউ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলমান রয়েছে। এ সময় জনগণের স্বার্থে নেওয়া সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগকে কেউ কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যঙ্গ করছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম অনেক কম বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন বিএনপির এ নেতা। সরকার জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম অনেক কম। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে, তবু আমরা জ্বালানিতে ভর্তুকি দিচ্ছি। মূল্য সমন্বয় করার পরও সরকারকে লোকসান গুনতে হচ্ছে।’
সহযোগী সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে রুহুল কবির রিজভী জানান, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়ানোর বিষয়ে ওই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস সৃষ্টি ও অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বিএনপির সহযোগী সংগঠনগুলো রাজপথে সক্রিয় থাকবে। এসব অপতৎপরতার প্রতিবাদে শিগগির মিছিল, সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে দলটির রাজপথের এই সংগঠনগুলো।



















