ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে রেলওয়ের সব নৌযান

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:৪৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২১
  • / ৩৯৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ের সব নৌযান। আর ওই কার্যক্রম চালাচ্ছে রেলওয়ের মেরিন বিভাগ। এর মাধ্যমে ইতি টানা হচ্ছে রেলের নৌরুটের ৮৩ বছরের নৌযান চলাচলের ইতিহাস। ইতিমধ্যে ৫টি নৌযান নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। আর অবশিষ্ট নৌযানগুলো বিক্রির প্রক্রিয়াও চলছে। ওই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। যদিও বালাসি-বাহাদুরাবাদ নৌ-রুটে ফেরি সার্ভিস চালুর জন্য উভয় পাশে ১৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে টার্মিনাল নির্মিত হয়েছে। কিন্তু রেলওয়ের ওসব নৌযান না থাকলে টার্মিনাল দুটি কোনো কাজেই আসবে না। এমন পরিস্থিতিতে বালাসি-বাহাদুরাবাদ নৌ-রুটে ফেরি সার্ভিস চালুর দাবিতে ওই এলাকায় আন্দোলন চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গাইবান্ধা শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে বালাসি ঘাটে বর্তমানে প্রায় ১১টি নৌযান রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে তিতুমীর মালবাহী টাগ একটি, বাহাদুর শাহ টাগ একটি, বার্জ-১৬ একটি, বার্জ-১০ একটি, স্টোর পন্টুন একটি, পন্টুন দুটি, ঝালাই বোর্ড একটি এবং ৩টি শো-গার্ডার। তার মধ্যে তিতুমীর ও বাহাদুর শাহ ৩৯টি করে ট্রেনের বগি টেনে নিয়ে যেতে পারতো। কিন্তু দীর্ঘসময় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ওসব নৌযানের বেশ কিছু অকেজো হয়ে পড়েছে। সূত্র জানায়, চলতি বছরের মার্চে রেলওয়ের জিওয়ান নামের একটি নৌযান নিলামে বিক্রি করা হয়। জিওয়ানের ওজন আনুমানিক ৫০০ টন। ঢাকার মিরপুরের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে নৌযানটি বিক্রি করা হয়েছে। মাত্র ৭৬ লাখ টাকায় ওই নৌযান নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। জিওয়ান ছাড়াও সম্প্রতি বালাসি ঘাটে রাখা আরো ৪টি নৌযান সম্প্রতি নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। তবে এখনো সেগুলো ক্রেতাদের বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। আর অবশিষ্ট ৬টি নৌযান বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করার প্রক্রিয়া চলছে। ওসব নৌযানের মধ্যে বাহাদুর শাহ ও তিতুমীর নামের দুটি জাহাজ সচল রয়েছে। কিন্তু ওই দুটি নৌযানকে অচল দেখিয়ে নিলামে বিক্রির প্রস্ততি চলছে। তবে রেলের ৫টি নৌযান বিক্রির বিষয়টি গাইবান্ধা মেরিন বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত মেরিন সুপার এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে লালমনিরহাট অঞ্চলের বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী (লোকো) রাসেল আলম নিশ্চিত করেছে। এখন অবশিষ্ট নৌযানগুলো বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে। ওই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হলেও এখনো বিক্রির আদেশ হয়নি। এর বেশি কিছু বলতে তিনি রাজি হননি। নৌযান বিক্রির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে দরপত্র আহ্বান এবং বিক্রি করা হচ্ছে। ওখানকার কর্তৃপক্ষই সবকিছু জানে। কিন্তু রেলওয়ের মেরিন বিভাগ থেকে নৌযান বিক্রির বিষয়ে রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক রাশেদুল হাসান গুমাধ্যমকে কোনো তথ্য দিতে নারাজ। তবে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ জানান, রেলওয়ের ওসব নৌযান বর্তমানে রেলওয়ের প্রয়োজন নেই। সেগুলো একদিকে যেমন রেলের কোনো কাজে লাগছে না, অন্যদিকে চলাচলেরও উপযোগী নয়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ওই নৌযানগুলো দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া নৌ-রুটও চালু নেই। সেজন্যই ওসব নৌযান বিক্রি করা হচ্ছে। এদিকে বালাসি-বাহাদুরাবাদ নৌ-রুটে ফেরি সার্ভিস চালুর দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধনসহ নানা আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ফেরি চালুর জন্য আন্দোলন চালানো হচ্ছে। ররুটটি চালু হলে ঢাকার সঙ্গে উত্তরের ৮ জেলার দূরত্ব ২-৩ ঘণ্টা কমে যাবে। পাশাপাশি ঢাকা-রংপুর জাতীয় মহাসড়ক ও যমুনা সেতুর ওপর যানবাহনের চাপ কমবে। আর স্থানীয় জনগণের দাবির মুখেই উভয় পাশে টার্মিনাল হয়েছে এবং রুটটিও চালুর অপেক্ষায়। কিন্তু হঠাৎ করে কি কারণে ওসব নৌযান বিক্রি করা হচ্ছে তা স্থানীয় বাসিন্দাদের বোধগম্য হচ্ছে না। অথচ রেলওয়ের নৌযানগুলো সংস্কার করে আরো দীর্ঘদিন কাজে লাগানো সম্ভব।
এদিকে টার্মিনাল প্রসঙ্গে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার জানান, নদীর উভয় পাশে বিআইডব্লিউটিএ টার্মিনাল নির্মাণ করেছে। বিআইডব্লিউটিএ ওই বিষয়টি দেখবে। ব্রিটিশ সরকার ১৯৩৮ সালে তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ নৌ-রুট চালু করে। আর ওই ঘাটের একপারে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাট, আর অপরপারে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ঘাট।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে রেলওয়ের সব নৌযান

আপডেট সময়ঃ ০৭:৪৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ের সব নৌযান। আর ওই কার্যক্রম চালাচ্ছে রেলওয়ের মেরিন বিভাগ। এর মাধ্যমে ইতি টানা হচ্ছে রেলের নৌরুটের ৮৩ বছরের নৌযান চলাচলের ইতিহাস। ইতিমধ্যে ৫টি নৌযান নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। আর অবশিষ্ট নৌযানগুলো বিক্রির প্রক্রিয়াও চলছে। ওই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। যদিও বালাসি-বাহাদুরাবাদ নৌ-রুটে ফেরি সার্ভিস চালুর জন্য উভয় পাশে ১৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে টার্মিনাল নির্মিত হয়েছে। কিন্তু রেলওয়ের ওসব নৌযান না থাকলে টার্মিনাল দুটি কোনো কাজেই আসবে না। এমন পরিস্থিতিতে বালাসি-বাহাদুরাবাদ নৌ-রুটে ফেরি সার্ভিস চালুর দাবিতে ওই এলাকায় আন্দোলন চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গাইবান্ধা শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে বালাসি ঘাটে বর্তমানে প্রায় ১১টি নৌযান রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে তিতুমীর মালবাহী টাগ একটি, বাহাদুর শাহ টাগ একটি, বার্জ-১৬ একটি, বার্জ-১০ একটি, স্টোর পন্টুন একটি, পন্টুন দুটি, ঝালাই বোর্ড একটি এবং ৩টি শো-গার্ডার। তার মধ্যে তিতুমীর ও বাহাদুর শাহ ৩৯টি করে ট্রেনের বগি টেনে নিয়ে যেতে পারতো। কিন্তু দীর্ঘসময় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ওসব নৌযানের বেশ কিছু অকেজো হয়ে পড়েছে। সূত্র জানায়, চলতি বছরের মার্চে রেলওয়ের জিওয়ান নামের একটি নৌযান নিলামে বিক্রি করা হয়। জিওয়ানের ওজন আনুমানিক ৫০০ টন। ঢাকার মিরপুরের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে নৌযানটি বিক্রি করা হয়েছে। মাত্র ৭৬ লাখ টাকায় ওই নৌযান নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। জিওয়ান ছাড়াও সম্প্রতি বালাসি ঘাটে রাখা আরো ৪টি নৌযান সম্প্রতি নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। তবে এখনো সেগুলো ক্রেতাদের বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। আর অবশিষ্ট ৬টি নৌযান বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করার প্রক্রিয়া চলছে। ওসব নৌযানের মধ্যে বাহাদুর শাহ ও তিতুমীর নামের দুটি জাহাজ সচল রয়েছে। কিন্তু ওই দুটি নৌযানকে অচল দেখিয়ে নিলামে বিক্রির প্রস্ততি চলছে। তবে রেলের ৫টি নৌযান বিক্রির বিষয়টি গাইবান্ধা মেরিন বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত মেরিন সুপার এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে লালমনিরহাট অঞ্চলের বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী (লোকো) রাসেল আলম নিশ্চিত করেছে। এখন অবশিষ্ট নৌযানগুলো বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে। ওই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হলেও এখনো বিক্রির আদেশ হয়নি। এর বেশি কিছু বলতে তিনি রাজি হননি। নৌযান বিক্রির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে দরপত্র আহ্বান এবং বিক্রি করা হচ্ছে। ওখানকার কর্তৃপক্ষই সবকিছু জানে। কিন্তু রেলওয়ের মেরিন বিভাগ থেকে নৌযান বিক্রির বিষয়ে রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক রাশেদুল হাসান গুমাধ্যমকে কোনো তথ্য দিতে নারাজ। তবে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ জানান, রেলওয়ের ওসব নৌযান বর্তমানে রেলওয়ের প্রয়োজন নেই। সেগুলো একদিকে যেমন রেলের কোনো কাজে লাগছে না, অন্যদিকে চলাচলেরও উপযোগী নয়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ওই নৌযানগুলো দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া নৌ-রুটও চালু নেই। সেজন্যই ওসব নৌযান বিক্রি করা হচ্ছে। এদিকে বালাসি-বাহাদুরাবাদ নৌ-রুটে ফেরি সার্ভিস চালুর দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধনসহ নানা আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ফেরি চালুর জন্য আন্দোলন চালানো হচ্ছে। ররুটটি চালু হলে ঢাকার সঙ্গে উত্তরের ৮ জেলার দূরত্ব ২-৩ ঘণ্টা কমে যাবে। পাশাপাশি ঢাকা-রংপুর জাতীয় মহাসড়ক ও যমুনা সেতুর ওপর যানবাহনের চাপ কমবে। আর স্থানীয় জনগণের দাবির মুখেই উভয় পাশে টার্মিনাল হয়েছে এবং রুটটিও চালুর অপেক্ষায়। কিন্তু হঠাৎ করে কি কারণে ওসব নৌযান বিক্রি করা হচ্ছে তা স্থানীয় বাসিন্দাদের বোধগম্য হচ্ছে না। অথচ রেলওয়ের নৌযানগুলো সংস্কার করে আরো দীর্ঘদিন কাজে লাগানো সম্ভব।
এদিকে টার্মিনাল প্রসঙ্গে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার জানান, নদীর উভয় পাশে বিআইডব্লিউটিএ টার্মিনাল নির্মাণ করেছে। বিআইডব্লিউটিএ ওই বিষয়টি দেখবে। ব্রিটিশ সরকার ১৯৩৮ সালে তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ নৌ-রুট চালু করে। আর ওই ঘাটের একপারে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ ঘাট, আর অপরপারে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ঘাট।