ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে আমরা কোনো পক্ষভুক্ত হতে চাই না: তথ্যমন্ত্রী

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ মার্চ ২০২২
  • / ৬২৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন ‘ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ ইস্যুতে বাংলাদেশ কোনো বিবাদে জড়াতে চায় না। সবচেয়ে বড় কথা আমরা কোনো পক্ষভুক্ত হতে চাই না। এটিই আমাদের অবস্থান।’ আজ রোববার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে এ কথা বলেন মন্ত্রী। এর আগে গত শুক্রবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিন্দা প্রস্তাবে বাংলাদেশের ভোট না দেওয়া সংবিধান ঘোষিত গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধের নীতিমালা পরিপন্থি।’ সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের বিষয়টি তথ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হলে তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবরা চান বাংলাদেশ বিবাদে জড়াক। সেজন্যই এ ধরনের কথা বলছেন। বাংলাদেশ কোনো বিবাদে জড়াতে চায় না।’ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) হামলা বন্ধ করে ইউক্রেন থেকে রুশ সেনাদের সরিয়ে নিতে প্রস্তাব পাস হয়েছে। ওই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে সাধারণ পরিষদের ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে ১৪১টি। তবে চীন, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ ৩৫টি দেশ ভোট দেয়নি। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা চাই বিশ্বে শান্তি বিরাজ করুক। বাংলাদেশ যে কোনো অশান্তির বিপক্ষে। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। এ কারণেই জাতিসংঘে বাংলাদেশ ভোটদানে বিরত ছিল, ভারতও বিরত ছিল, পাকিস্তানও বিরত ছিল। আরও অনেক দেশ বিরত ছিল। ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেব বাংলাদেশ কেন বিরত ছিল সেটি নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। তিনি কিন্তু সব কিছুর ব্যাখ্যা দেন, ভারত পাকিস্তান কেন বিরত ছিল এ ব্যাখ্যাটাও যদি তিনি দেন খুব ভালো হয়। সবচেয়ে বড় কথা আমরা কোনো পক্ষভুক্ত হতে চাই না। এটিই আমাদের অবস্থান।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে আমরা কোনো পক্ষভুক্ত হতে চাই না: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময়ঃ ০৮:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ মার্চ ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন ‘ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ ইস্যুতে বাংলাদেশ কোনো বিবাদে জড়াতে চায় না। সবচেয়ে বড় কথা আমরা কোনো পক্ষভুক্ত হতে চাই না। এটিই আমাদের অবস্থান।’ আজ রোববার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে এ কথা বলেন মন্ত্রী। এর আগে গত শুক্রবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিন্দা প্রস্তাবে বাংলাদেশের ভোট না দেওয়া সংবিধান ঘোষিত গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধের নীতিমালা পরিপন্থি।’ সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের বিষয়টি তথ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হলে তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবরা চান বাংলাদেশ বিবাদে জড়াক। সেজন্যই এ ধরনের কথা বলছেন। বাংলাদেশ কোনো বিবাদে জড়াতে চায় না।’ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) হামলা বন্ধ করে ইউক্রেন থেকে রুশ সেনাদের সরিয়ে নিতে প্রস্তাব পাস হয়েছে। ওই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে সাধারণ পরিষদের ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে ১৪১টি। তবে চীন, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ ৩৫টি দেশ ভোট দেয়নি। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা চাই বিশ্বে শান্তি বিরাজ করুক। বাংলাদেশ যে কোনো অশান্তির বিপক্ষে। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। এ কারণেই জাতিসংঘে বাংলাদেশ ভোটদানে বিরত ছিল, ভারতও বিরত ছিল, পাকিস্তানও বিরত ছিল। আরও অনেক দেশ বিরত ছিল। ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেব বাংলাদেশ কেন বিরত ছিল সেটি নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। তিনি কিন্তু সব কিছুর ব্যাখ্যা দেন, ভারত পাকিস্তান কেন বিরত ছিল এ ব্যাখ্যাটাও যদি তিনি দেন খুব ভালো হয়। সবচেয়ে বড় কথা আমরা কোনো পক্ষভুক্ত হতে চাই না। এটিই আমাদের অবস্থান।’