ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

এডিবি’র ২৩ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন, সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশও

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:৩২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০২২
  • / ৪৯৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
করোনা সংকট মোকাবিলা ও সবুজ অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য ২০২১ সালে ২২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের প্যাকেজ সংগ্রহ করে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ এক লাখ ৯৬ হাজার ৮০ কোটি টাকা। এই বিশাল ঋণ বাংলাদেশসহ এডিবি’র সদস্যভূক্ত দেশগুলো ব্যবহার করেছে। সংস্থাটির সদস্যভুক্ত ৬৮টি দেশ। এর মধ্যে ৪৮টি দেশই এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায়। এসব এলাকায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। করোনা সংকট মোকাবিলা ও টিকা কেনাসহ এই প্যাকেজ থেকে ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশও। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত এডিবি’র বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২১ থেকে এসব তথ্য জানা যায়। দেশের তরুণ, বিদেশফেরত কর্মী ও করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ উদ্যোক্তা বিশেষ করে কুটির, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের (সিএমএসই) জন্য ১৫ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ এর পরিমাণ। এ ছাড়া করোনা রোধে ভ্যাকসিন কিনতে বাংলাদেশেকে ৯৪ কোটি ডলার দিয়েছে এডিবি। এডিবি’র প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়া বলেন, এডিবি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে মহামারির প্রভাব মোকাবিলা ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নকে সমর্থন করে এগিয়ে যেতে হবে। টেকসইভাবে করোনা সংকট মোকাবিলা করতে আমরা বদ্ধপরিকর। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সবুজ পুনরুদ্ধারের ভিত্তি স্থাপন করতে যাচ্ছি। যা আমাদের কৌশল ২০৩০ এর লক্ষ্য বাস্তবায়ন সহজ হবে। তিনি বলেন, প্রতিশ্রুতির ২২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূলত, ঋণ, অনুদান, ইকুইটি বিনিয়োগ এবং সরকার ও বেসরকারি খাতে প্রদত্ত প্রযুক্তিগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে এডিবি সহ-অর্থায়নে ১২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ঋণ সংগ্রহ করেছে। এডিবি’র প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে ১৩ দশমিক ৫ বা ৫৯ শতাংশই করোনা সংকটের জন্য। যদিও এই অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে- স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করা, মহামারি শেষ হওয়ার অনেক পরেও এই অঞ্চলকে সাহায্য করবে। মহামারি থেকে উত্তরণে ব্যাংকখাতের জন্য রয়েছে ৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দ্রুত ঋণ বিতরণ করা অর্থায়নে সরকারগুলির কাঠামোগত সংস্কার ও ঋণের স্থায়িত্ব মোকাবিলায় সহায়তা করার জন্য। অর্থায়নের মধ্যে ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন নীতি-ভিত্তিক ঋণ ও ২৫ কোটি ডলার মহামারি প্রভাবে বিকল্প কাজে ব্যবহার করা হয়। মহামারি মোকাবিলার অংশ হিসেবে নিরাপদ ও কার্যকর ভ্যাকসিন সংগ্রহ এবং বিতরণ সক্ষমতার জন্য ৪ দশমিক বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে এডিবি। এ ছাড়া ব্যবসা খোলা রাখতে, বাণিজ্য ঠিক রাখতে, চিকিৎসা পণ্য ও পরিষেবাগুলোর জন্য বেসরকারি খাতে ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ঋণ দিয়েছে। ২০২১ সালে কোন দেশকে কত টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে ও কী পরিমাণে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী এডিবি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

এডিবি’র ২৩ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন, সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশও

আপডেট সময়ঃ ০৯:৩২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
করোনা সংকট মোকাবিলা ও সবুজ অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য ২০২১ সালে ২২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের প্যাকেজ সংগ্রহ করে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ এক লাখ ৯৬ হাজার ৮০ কোটি টাকা। এই বিশাল ঋণ বাংলাদেশসহ এডিবি’র সদস্যভূক্ত দেশগুলো ব্যবহার করেছে। সংস্থাটির সদস্যভুক্ত ৬৮টি দেশ। এর মধ্যে ৪৮টি দেশই এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায়। এসব এলাকায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। করোনা সংকট মোকাবিলা ও টিকা কেনাসহ এই প্যাকেজ থেকে ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশও। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত এডিবি’র বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২১ থেকে এসব তথ্য জানা যায়। দেশের তরুণ, বিদেশফেরত কর্মী ও করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ উদ্যোক্তা বিশেষ করে কুটির, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের (সিএমএসই) জন্য ১৫ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ এর পরিমাণ। এ ছাড়া করোনা রোধে ভ্যাকসিন কিনতে বাংলাদেশেকে ৯৪ কোটি ডলার দিয়েছে এডিবি। এডিবি’র প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়া বলেন, এডিবি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে মহামারির প্রভাব মোকাবিলা ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নকে সমর্থন করে এগিয়ে যেতে হবে। টেকসইভাবে করোনা সংকট মোকাবিলা করতে আমরা বদ্ধপরিকর। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সবুজ পুনরুদ্ধারের ভিত্তি স্থাপন করতে যাচ্ছি। যা আমাদের কৌশল ২০৩০ এর লক্ষ্য বাস্তবায়ন সহজ হবে। তিনি বলেন, প্রতিশ্রুতির ২২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূলত, ঋণ, অনুদান, ইকুইটি বিনিয়োগ এবং সরকার ও বেসরকারি খাতে প্রদত্ত প্রযুক্তিগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে এডিবি সহ-অর্থায়নে ১২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ঋণ সংগ্রহ করেছে। এডিবি’র প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে ১৩ দশমিক ৫ বা ৫৯ শতাংশই করোনা সংকটের জন্য। যদিও এই অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে- স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করা, মহামারি শেষ হওয়ার অনেক পরেও এই অঞ্চলকে সাহায্য করবে। মহামারি থেকে উত্তরণে ব্যাংকখাতের জন্য রয়েছে ৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দ্রুত ঋণ বিতরণ করা অর্থায়নে সরকারগুলির কাঠামোগত সংস্কার ও ঋণের স্থায়িত্ব মোকাবিলায় সহায়তা করার জন্য। অর্থায়নের মধ্যে ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন নীতি-ভিত্তিক ঋণ ও ২৫ কোটি ডলার মহামারি প্রভাবে বিকল্প কাজে ব্যবহার করা হয়। মহামারি মোকাবিলার অংশ হিসেবে নিরাপদ ও কার্যকর ভ্যাকসিন সংগ্রহ এবং বিতরণ সক্ষমতার জন্য ৪ দশমিক বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে এডিবি। এ ছাড়া ব্যবসা খোলা রাখতে, বাণিজ্য ঠিক রাখতে, চিকিৎসা পণ্য ও পরিষেবাগুলোর জন্য বেসরকারি খাতে ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ঋণ দিয়েছে। ২০২১ সালে কোন দেশকে কত টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে ও কী পরিমাণে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী এডিবি।