ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)’র অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৭ জন গ্রেফতার

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • / ১৮ বার পড়া হয়েছে

মোঃ ইমরান নাজীর, পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা জেলা পুলিশ মাদক, অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), পাবনা একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে ১টি লোহার তৈরী বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ০৫ রাউন্ড তাজা গুলিসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।

‎গত ০৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দিবাগত রাত আনুমানিক ০০:৩০ ঘটিকায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানাধীন সাহাপুর ইউনিয়নের আওতাপাড়া বাজারস্থ NCDP গোয়ার্স মার্কেটে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় মার্কেটের ভেতরে অবস্থানরত ৭ জন ব্যক্তি পুলিশকে দেখে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয়।

‎পরবর্তীতে তাদের দেখানো ও স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনাস্থলে থাকা একটি চৌকির নিচ থেকে ১টি সচল বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ম্যাগাজিনে লোড করা ০৫ (পাঁচ) রাউন্ড ৭.৬৫ মি.মি. তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন:
‎১. মোঃ ইকবাল হোসেন ইমন (৩১)
‎২. মোঃ নাজমুল হাসান (৩০)
‎৩. সজীব (২৭)
‎৪. মোঃ তুষার ইমরান (৩৩)
‎৫. মোঃ জনি ইসলাম (৩০)
‎৬. মোঃ রতন ইসলাম (১৯)
‎৭. মোঃ সাজাদুর রহমান (২১)

‎প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা ঘটনাস্থলে একত্রিত হয়েছিল এবং উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি ১নং আসামি মোঃ ইকবাল হোসেন ইমন-এর হেফাজতে ছিল। ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সুযোগ না পেয়ে অস্ত্রটি চৌকির নিচে রেখে দেয়। অস্ত্রটির বৈধ লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শনে তিনি ব্যর্থ হন।

‎এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে The Arms Act, 1878-এর 19A/19(f) ধারায় ঈশ্বরদী থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং মাদক সেবনের রিপোর্ট পজেটিভ আসায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর আইন অনুসারে পৃথকভাবে ঈশ্বরদী থানায় নিয়মিত আরো একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না এবং অস্ত্রের উৎস উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

‎পাবনা জেলা পুলিশ অপরাধ, অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)’র অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৭ জন গ্রেফতার

আপডেট সময়ঃ ০৮:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মোঃ ইমরান নাজীর, পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা জেলা পুলিশ মাদক, অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), পাবনা একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে ১টি লোহার তৈরী বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ০৫ রাউন্ড তাজা গুলিসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।

‎গত ০৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দিবাগত রাত আনুমানিক ০০:৩০ ঘটিকায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানাধীন সাহাপুর ইউনিয়নের আওতাপাড়া বাজারস্থ NCDP গোয়ার্স মার্কেটে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় মার্কেটের ভেতরে অবস্থানরত ৭ জন ব্যক্তি পুলিশকে দেখে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয়।

‎পরবর্তীতে তাদের দেখানো ও স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনাস্থলে থাকা একটি চৌকির নিচ থেকে ১টি সচল বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ম্যাগাজিনে লোড করা ০৫ (পাঁচ) রাউন্ড ৭.৬৫ মি.মি. তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন:
‎১. মোঃ ইকবাল হোসেন ইমন (৩১)
‎২. মোঃ নাজমুল হাসান (৩০)
‎৩. সজীব (২৭)
‎৪. মোঃ তুষার ইমরান (৩৩)
‎৫. মোঃ জনি ইসলাম (৩০)
‎৬. মোঃ রতন ইসলাম (১৯)
‎৭. মোঃ সাজাদুর রহমান (২১)

‎প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা ঘটনাস্থলে একত্রিত হয়েছিল এবং উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি ১নং আসামি মোঃ ইকবাল হোসেন ইমন-এর হেফাজতে ছিল। ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সুযোগ না পেয়ে অস্ত্রটি চৌকির নিচে রেখে দেয়। অস্ত্রটির বৈধ লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শনে তিনি ব্যর্থ হন।

‎এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে The Arms Act, 1878-এর 19A/19(f) ধারায় ঈশ্বরদী থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং মাদক সেবনের রিপোর্ট পজেটিভ আসায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর আইন অনুসারে পৃথকভাবে ঈশ্বরদী থানায় নিয়মিত আরো একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না এবং অস্ত্রের উৎস উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

‎পাবনা জেলা পুলিশ অপরাধ, অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।