ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১০:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • / ৯৪১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শ্লীলতাহানির অভিযোগে করা মামলায় সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাসের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তারের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে শনিবার শ্লীলতাহানির অভিযোগে সবুজবাগ থানায় এক নারী চিত্তরঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার অভিযোগে থেকে জানা যায়, সবুজবাগ কালীবাড়ি রাস্তা সংলগ্ন ওই নারীর শ্বশুরের দোকান রয়েছে। তার পাশের চা দোকানি নিজের দোকান সংস্কার করতে চাইলে কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস সেই দোকানদারের কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। চাঁদার বিষয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য ওই নারী চিত্তরঞ্জন দাসকে ফোন করেন। তখন চিত্তরঞ্জন তাকে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তার রাজারবাগ কালীবাড়ি কার্যালয়ে যেতে বলেন। রাত পৌনে ১০টার দিকে ওই নারী স্বামীসহ কাউন্সিলরের কার্যালয়ে যান। সেখানে চাঁদার বিষয়ে জানতে চাইলে চিত্তরঞ্জন দাস ওই নারীকে পাশের কক্ষে বসতে বলেন। পরে চিত্তরঞ্জন ওই কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন এবং ওই নারীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন

আপডেট সময়ঃ ১০:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শ্লীলতাহানির অভিযোগে করা মামলায় সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাসের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তারের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে শনিবার শ্লীলতাহানির অভিযোগে সবুজবাগ থানায় এক নারী চিত্তরঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার অভিযোগে থেকে জানা যায়, সবুজবাগ কালীবাড়ি রাস্তা সংলগ্ন ওই নারীর শ্বশুরের দোকান রয়েছে। তার পাশের চা দোকানি নিজের দোকান সংস্কার করতে চাইলে কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস সেই দোকানদারের কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। চাঁদার বিষয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য ওই নারী চিত্তরঞ্জন দাসকে ফোন করেন। তখন চিত্তরঞ্জন তাকে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তার রাজারবাগ কালীবাড়ি কার্যালয়ে যেতে বলেন। রাত পৌনে ১০টার দিকে ওই নারী স্বামীসহ কাউন্সিলরের কার্যালয়ে যান। সেখানে চাঁদার বিষয়ে জানতে চাইলে চিত্তরঞ্জন দাস ওই নারীকে পাশের কক্ষে বসতে বলেন। পরে চিত্তরঞ্জন ওই কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন এবং ওই নারীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন।