ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

তিন আসন থেকে নির্বাচন করবেন খালেদা জিয়া

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩৪৫ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আসনগুলো হলো- দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১।

সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পরে আগামী ২০২৬ সালের ফেব্র্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদের নির্বাচন পেতে যাচ্ছি। বিএনপির পক্ষ থেকে সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আমরা ইতিমধ্যে সারাদেশে সব ইউনিটে কাজ শুরু করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা দিতে যাচ্ছি। আমাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছে তাদের মধ্যে যেসব আসনে তাদের প্রার্থী দিতে চান সেখানে আমরা প্রার্থী দিইনি। তারা এসব আসনে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

খালেদা জিয়া মার্চ ১৯৯১ থেকে মার্চ ১৯৯৬ পর্যন্ত এবং আবার জুন ২০০১ থেকে অক্টোবর ২০০৬ পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিএনপিকে চারটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনার অনুমতি দিলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন: বগুড়া-৭, ঢাকা-৫, ঢাকা-৯, ফেনী-১ এবং চট্টগ্রাম-৮। পাঁচটি আসনেই জয়লাভ করার পর তিনি ফেনী-১ আসনটি প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নেন এবং বাকি চারটি আসন থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে খালেদা জিয়া পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন: বগুড়া-৬, বগুড়া-৭, ফেনী-১, লক্ষ্মীপুর-২ এবং চট্টগ্রাম-১। তিনি পাঁচটি আসনেই বিজয়ী হন এবং শেষ পর্যন্ত ফেনী-১ আসনটি নিজের জন্য রাখেন।

খালেদা জিয়া ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন: বগুড়া-৬, বগুড়া-৭, ফেনী-১, লক্ষ্মীপুর-২ এবং চট্টগ্রাম-১। তিনি পাঁচটি আসনেই বিজয়ী হন এবং শেষ পর্যন্ত বগুড়া-৬ আসনটি নিজের জন্য রাখেন। তিনি ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন: বগুড়া-৬, বগুড়া-৭, এবং ফেনী-১। তিনি তিনটিতেই বিজয়ী হন এবং শেষ পর্যন্ত ফেনী-১ আসনটি নিজের জন্য রাখেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, নজরুল ইসলাম খান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মির্জা আব্বাস, হাফিজ উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

তিন আসন থেকে নির্বাচন করবেন খালেদা জিয়া

আপডেট সময়ঃ ০৮:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আসনগুলো হলো- দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১।

সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পরে আগামী ২০২৬ সালের ফেব্র্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদের নির্বাচন পেতে যাচ্ছি। বিএনপির পক্ষ থেকে সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আমরা ইতিমধ্যে সারাদেশে সব ইউনিটে কাজ শুরু করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা দিতে যাচ্ছি। আমাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছে তাদের মধ্যে যেসব আসনে তাদের প্রার্থী দিতে চান সেখানে আমরা প্রার্থী দিইনি। তারা এসব আসনে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

খালেদা জিয়া মার্চ ১৯৯১ থেকে মার্চ ১৯৯৬ পর্যন্ত এবং আবার জুন ২০০১ থেকে অক্টোবর ২০০৬ পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিএনপিকে চারটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনার অনুমতি দিলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন: বগুড়া-৭, ঢাকা-৫, ঢাকা-৯, ফেনী-১ এবং চট্টগ্রাম-৮। পাঁচটি আসনেই জয়লাভ করার পর তিনি ফেনী-১ আসনটি প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নেন এবং বাকি চারটি আসন থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে খালেদা জিয়া পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন: বগুড়া-৬, বগুড়া-৭, ফেনী-১, লক্ষ্মীপুর-২ এবং চট্টগ্রাম-১। তিনি পাঁচটি আসনেই বিজয়ী হন এবং শেষ পর্যন্ত ফেনী-১ আসনটি নিজের জন্য রাখেন।

খালেদা জিয়া ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন: বগুড়া-৬, বগুড়া-৭, ফেনী-১, লক্ষ্মীপুর-২ এবং চট্টগ্রাম-১। তিনি পাঁচটি আসনেই বিজয়ী হন এবং শেষ পর্যন্ত বগুড়া-৬ আসনটি নিজের জন্য রাখেন। তিনি ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন: বগুড়া-৬, বগুড়া-৭, এবং ফেনী-১। তিনি তিনটিতেই বিজয়ী হন এবং শেষ পর্যন্ত ফেনী-১ আসনটি নিজের জন্য রাখেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, নজরুল ইসলাম খান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মির্জা আব্বাস, হাফিজ উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।