ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত বিসিবি-ক্রিকেটারদের : আসিফ নজরুল

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২১০ বার পড়া হয়েছে

নিরাপত্তা শঙ্কায় সরকারি নির্দেশনা মেনে যৌথ আয়োজক ভারতে দল পাঠায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যে কারণে বাংলাদেশকে ছাড়াই প্রথমবারের মতো হচ্ছে কোনো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু বিশ্বকাপে ভারতে দল না পাঠানোর প্রশ্নে এবার উল্টো সুরে কথা বলেছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার রাতে জানিয়েছেন, সরকারি সিদ্ধান্ত নয়, ক্রিকেটার ও বিসিবির সিদ্ধান্তেই নাকি বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ।

গেল ২২ জানুয়ারি ক্রিকেটারদের সাথে জরুরি বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আপনাদেরকে আমি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেই, সিকিউরিটি রিস্কের কথা বিবেচনা করে ভারতে বিশ্বকাপ না খেলা, এটা আমাদের সরকারের সিদ্ধান্ত। কোনো একটা দেশের মানুষ অন্য একটা দেশে গেলে সিকিউরিটি রিস্ক আছে কি না, সেটা সরকার বিবেচনা করে দেখে। এটা অন্য কারও বিবেচনার স্কোপ নেই।’

এরপর আইসিসিকেও জানিয়ে দেয়া হয়, ভেন্যু ভারতের বাইরে সরিয়ে না নিলে বিশ্বকাপে যাবে না বাংলাদেশ। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখেনি আইসিসি। ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের বদলি হিসেবে নেয়া হয় স্কটল্যান্ডকে। সেই হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে থাকতে হচ্ছে দর্শক হয়েই।

তবে মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা যে মন্তব্য করেছেন, তা তার আগের মন্তব্যের সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। বিশ্বকাপ না খেলায় কোনো আক্ষেপ আছে কিনা, এই প্রশ্নের জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, ‘কোনো রিগ্রেট? প্রশ্নই আসে না। আমাদের কী সিদ্ধান্ত, সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলোয়াড়রা, ক্রিকেট বোর্ড। তারা নিজেরা স্যাক্রিফাইস করে, দেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার জন্য, দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য, বাংলাদেশের মর্যাদার প্রশ্নে যে ভূমিকা রেখেছে, আমার মনে হয়, এটা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

অথচ গেল ২২ জানুয়ারির বৈঠকে বিশ্বকাপ ইস্যুতে ক্রিকেটারদের মতামত নেয়ার আগেই তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এমনকি বিশ্বকাপে খেলা, না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রিকেটারদের সাথে কোনো আলোচনাই করা হয়নি বোর্ডের তরফ থেকে। কিছু জানানো হয়নি অধিনায়ক লিটন দাসকেও।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত বিসিবি-ক্রিকেটারদের : আসিফ নজরুল

আপডেট সময়ঃ ০৮:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিরাপত্তা শঙ্কায় সরকারি নির্দেশনা মেনে যৌথ আয়োজক ভারতে দল পাঠায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যে কারণে বাংলাদেশকে ছাড়াই প্রথমবারের মতো হচ্ছে কোনো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু বিশ্বকাপে ভারতে দল না পাঠানোর প্রশ্নে এবার উল্টো সুরে কথা বলেছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার রাতে জানিয়েছেন, সরকারি সিদ্ধান্ত নয়, ক্রিকেটার ও বিসিবির সিদ্ধান্তেই নাকি বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ।

গেল ২২ জানুয়ারি ক্রিকেটারদের সাথে জরুরি বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আপনাদেরকে আমি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেই, সিকিউরিটি রিস্কের কথা বিবেচনা করে ভারতে বিশ্বকাপ না খেলা, এটা আমাদের সরকারের সিদ্ধান্ত। কোনো একটা দেশের মানুষ অন্য একটা দেশে গেলে সিকিউরিটি রিস্ক আছে কি না, সেটা সরকার বিবেচনা করে দেখে। এটা অন্য কারও বিবেচনার স্কোপ নেই।’

এরপর আইসিসিকেও জানিয়ে দেয়া হয়, ভেন্যু ভারতের বাইরে সরিয়ে না নিলে বিশ্বকাপে যাবে না বাংলাদেশ। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখেনি আইসিসি। ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের বদলি হিসেবে নেয়া হয় স্কটল্যান্ডকে। সেই হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে থাকতে হচ্ছে দর্শক হয়েই।

তবে মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা যে মন্তব্য করেছেন, তা তার আগের মন্তব্যের সাথে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। বিশ্বকাপ না খেলায় কোনো আক্ষেপ আছে কিনা, এই প্রশ্নের জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, ‘কোনো রিগ্রেট? প্রশ্নই আসে না। আমাদের কী সিদ্ধান্ত, সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলোয়াড়রা, ক্রিকেট বোর্ড। তারা নিজেরা স্যাক্রিফাইস করে, দেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার জন্য, দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য, বাংলাদেশের মর্যাদার প্রশ্নে যে ভূমিকা রেখেছে, আমার মনে হয়, এটা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

অথচ গেল ২২ জানুয়ারির বৈঠকে বিশ্বকাপ ইস্যুতে ক্রিকেটারদের মতামত নেয়ার আগেই তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এমনকি বিশ্বকাপে খেলা, না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রিকেটারদের সাথে কোনো আলোচনাই করা হয়নি বোর্ডের তরফ থেকে। কিছু জানানো হয়নি অধিনায়ক লিটন দাসকেও।