শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের পরও হেরে গেল বাংলাদেশ
- আপডেট সময়ঃ ০৮:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
- / ১০ বার পড়া হয়েছে
শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের পরও হেরে গেল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। অস্ট্রেলিয়ার মতো ছয়বারের বিশ্বকাপজয়ী দলকে প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার সুযোগ পেয়েও তা হাতছাড়া করল টাইগাররা।
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে তিন বল হাতে রেখে এক উইকেটের জয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ায় অস্ট্রেলিয়া। ওপেনিংয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে দলকে জয়ের দুয়ারে নিয়ে গিয়ে আউট হন কুপার কনোলি। তিনি ১৩৪ বলে ১৩টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ১৪৯ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন মার্নাস লাবুশেন।
প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিতে আগেই সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সদ্য শেষ হওয়া এই সিরিজে ২১ বছর পর দ্বিতীয় জয় পাওয়ার পাশাপাশি সিরিজ জয়ের নজির গড়ে টাইগাররা।
প্রথমে ব্যাট করে পাঁচ উইকেটে ২৭৪ রান করে স্বাগতিক বাংলাদেশ। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। এক প্রান্তে ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মাঝে অপর প্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান ওপেনার কুপার কনোলি।
রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে ৪২ রান করা সৌম্য সরকার ফেরেন মাত্র ২ রানে।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৫১ রানের জুটি গড়ে আউট হন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তিনি করেন ১৯ রান। ৫০ বল খেলে মাত্র ২৪ রান করে ফেরেন অধিনায়ক শান্ত।
৬১ রানে ৩ উইকেট পতনের পর দলের হাল ধরেন লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে তারা ১০৯ বলে ৯৫ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ১৫৩ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরেন লিটন। তিনি ৭৮ বলে চারটি চার ও দুটি ছক্কায় ৫৮ রান করেন।
এরপর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের সঙ্গে ৮১ বলে ৯০ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। দলীয় ২৪৬ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন হৃদয়। তার আগে ৮৮ বলে ৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে করেন ৮৩ রান।
৫১ বলে ৫টি চার ও একটি ছক্কায় ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ৫০ ওভার শেষে পাঁচ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৭৪ রান।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে ছয়বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে ৪০ রান যোগ করার পর মাত্র তিন বলের ব্যবধানে দুই উইকেট হারায় তারা।
বাংলাদেশের পেসার শরীফুল ইসলামের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন জশ ইংলিস। তিনি ১২ বলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২১ রান করেন। পরের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ম্যাট রেনশ।
এরপর সৌম্য সরকারের অসাধারণ এক ক্যাচে আউট হন অ্যালেক্স ক্যারি। তিনি ১৬ বলে ৮ রান করেন।
চতুর্থ উইকেটে কুপার কনোলির সঙ্গে ৭৭ বলে ৬৪ রানের জুটি গড়েন মার্নাস লাবুশেন। দলীয় ১৩৪ রানে আউট হন লাবুশেন। তিনি ৪৫ বলে ২৩ রান করেন।
পঞ্চম উইকেটে ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে জুটি গড়ে ম্যাচ প্রায় জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে যান কুপার কনোলি।



















