ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ | ই-পেপার

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের বৈঠক

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০২:১৫:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১১ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান। আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উভয়পক্ষ বিশেষত স্বাস্থ্যখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

চিকিৎসাক্ষেত্রে মালয়েশিয়া যথেষ্ট উন্নতি করেছে উল্লেখ করে মালয়েশিয়ার হাই কমিশনার বলেন, কম্বোডিয়ার রোগীরা আগে থাইল্যান্ড যেত। তারা এখন মালয়েশিয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের রোগীদের জন্যও মালয়েশিয়া একটি ভালো গন্তব্য হতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের মাধ্যমে আগ্রহী বালাদেশীরা চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা পেতে পারেন।

মালয়েশিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থার অগ্রগতির প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশও কিছু কিছু ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি সাধন করেছে। আমাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসদের জন্য মালয়েশিয়ায় কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন, লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন, বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যানটেশন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।’

চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে যৌথভাবে কিছু করা যায় কিনা এবং সেক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার বাংলাদেশে তাদের দেশের কিছু শিক্ষার্থী এমবিবিএস, এমডিএস এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে উল্লেখ করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়ার শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে যেকোনো রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার জানান মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার বিভিন্ন খরচ, ওষুধের দাম ইত্যাদি বোর্ডে লেখা থাকে। খরচও অন্যান্য দেশের চেয়ে কম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভালো সেবা পেলে এদেশের মানুষ মালয়েশিয়া যাবে চিকিৎসা নিতে।

হাইকমিশনার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী সুবিধাজনক সময়ে যাবেন বলে জানান।

সাক্ষাৎকালে ঢাকাস্থ মালয়েশিয়া হাই কমিশনের কর্মকর্তা, মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের (এমএসটিসি) কর্মকর্তারা, তাদের বাংলাদেশী অংশীদার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের বৈঠক

আপডেট সময়ঃ ০২:১৫:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান। আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উভয়পক্ষ বিশেষত স্বাস্থ্যখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

চিকিৎসাক্ষেত্রে মালয়েশিয়া যথেষ্ট উন্নতি করেছে উল্লেখ করে মালয়েশিয়ার হাই কমিশনার বলেন, কম্বোডিয়ার রোগীরা আগে থাইল্যান্ড যেত। তারা এখন মালয়েশিয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের রোগীদের জন্যও মালয়েশিয়া একটি ভালো গন্তব্য হতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের মাধ্যমে আগ্রহী বালাদেশীরা চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা পেতে পারেন।

মালয়েশিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থার অগ্রগতির প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশও কিছু কিছু ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি সাধন করেছে। আমাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসদের জন্য মালয়েশিয়ায় কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন, লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন, বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যানটেশন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।’

চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে যৌথভাবে কিছু করা যায় কিনা এবং সেক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার বাংলাদেশে তাদের দেশের কিছু শিক্ষার্থী এমবিবিএস, এমডিএস এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে উল্লেখ করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়ার শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে যেকোনো রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার জানান মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার বিভিন্ন খরচ, ওষুধের দাম ইত্যাদি বোর্ডে লেখা থাকে। খরচও অন্যান্য দেশের চেয়ে কম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভালো সেবা পেলে এদেশের মানুষ মালয়েশিয়া যাবে চিকিৎসা নিতে।

হাইকমিশনার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী সুবিধাজনক সময়ে যাবেন বলে জানান।

সাক্ষাৎকালে ঢাকাস্থ মালয়েশিয়া হাই কমিশনের কর্মকর্তা, মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের (এমএসটিসি) কর্মকর্তারা, তাদের বাংলাদেশী অংশীদার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।