ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

অবশেষে নিয়োগপত্র পেলেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৭ বার পড়া হয়েছে

স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া ঝিনাইদহের মিশন আচার্য অবশেষে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের হস্তক্ষেপে তার নিয়োগের জটিলতা নিরসন হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ পৌর শহরের কলাবাগান পাড়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন রাশেদ খাঁন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা মিশন আচার্যের পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার জন্য মিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় নিয়োগপত্র পাওয়া নিয়ে জটিলতায় পড়েন মিশন আচার্য। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তার নিয়োগ নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়া হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অবশেষে নিয়োগপত্র পেলেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য

আপডেট সময়ঃ ০৩:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া ঝিনাইদহের মিশন আচার্য অবশেষে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের হস্তক্ষেপে তার নিয়োগের জটিলতা নিরসন হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ পৌর শহরের কলাবাগান পাড়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মিশন আচার্যের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন রাশেদ খাঁন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা মিশন আচার্যের পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার জন্য মিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় নিয়োগপত্র পাওয়া নিয়ে জটিলতায় পড়েন মিশন আচার্য। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তার নিয়োগ নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়া হয়।