ঢাকা, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

ই-কমার্সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাক বিভাগকে আধুনিকায়ন করা হবে : ডাক সচিব

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৬ বার পড়া হয়েছে

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেছেন, প্রযুক্তির বিকাশ ও ই-কমার্সের প্রসারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাক বিভাগকে আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হবে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে ডাক অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশে বিশ্ব ডাক দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ডাক অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।

সচিব বলেন, তথ্যনির্ভর ব্যবস্থাপনা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্যের নিরাপত্তা এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার ডাক বিভাগের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন ডাক বিভাগ একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। এটিকে অবহেলা নয় এটিকে প্রযুক্তি নির্ভর করে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে হবে। এতে জড়িত হাজারো কর্মীকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, প্রযুক্তির বিকাশ ও ই-কমার্সের প্রসারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাক বিভাগকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমন্বিত সেবাব্যবস্থায় রূপান্তর করতে হবে।

ডাক নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে ই-কমার্স লজিস্টিকস, পার্সেল পরিবহন, ডিজিটাল আর্থিক সেবা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য সেবা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

আলোচনা সভায় ডাক বিভাগের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে ছয়টি অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয় ডিজিটাল ডাকঘর, সমন্বিত ডাক তথ্যভান্ডার, ই-কমার্স লজিস্টিকস হাব, ডিজিটাল আর্থিক সেবার সম্প্রসারণ, তথ্যনির্ভর আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং সবুজ ডাকব্যবস্থা।

বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে ৯ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী ‘ডাকসেবা সপ্তাহ’ পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক প্রদর্শনী ও ডাকসেবা বিষয়ক মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া ৯ ও ১০ অক্টোবর সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম ব্যতীত ডাক বিভাগের সব পর্যায়ের কার্যালয়ে ডাকসেবা প্রদান উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত ও আধুনিক ডাক নেটওয়ার্ক দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, ই-কমার্স, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও জাতীয় উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ই-কমার্সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাক বিভাগকে আধুনিকায়ন করা হবে : ডাক সচিব

আপডেট সময়ঃ ০৩:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেছেন, প্রযুক্তির বিকাশ ও ই-কমার্সের প্রসারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাক বিভাগকে আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হবে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে ডাক অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশে বিশ্ব ডাক দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ডাক অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।

সচিব বলেন, তথ্যনির্ভর ব্যবস্থাপনা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্যের নিরাপত্তা এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার ডাক বিভাগের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন ডাক বিভাগ একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। এটিকে অবহেলা নয় এটিকে প্রযুক্তি নির্ভর করে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে হবে। এতে জড়িত হাজারো কর্মীকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, প্রযুক্তির বিকাশ ও ই-কমার্সের প্রসারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাক বিভাগকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমন্বিত সেবাব্যবস্থায় রূপান্তর করতে হবে।

ডাক নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে ই-কমার্স লজিস্টিকস, পার্সেল পরিবহন, ডিজিটাল আর্থিক সেবা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য সেবা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

আলোচনা সভায় ডাক বিভাগের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে ছয়টি অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয় ডিজিটাল ডাকঘর, সমন্বিত ডাক তথ্যভান্ডার, ই-কমার্স লজিস্টিকস হাব, ডিজিটাল আর্থিক সেবার সম্প্রসারণ, তথ্যনির্ভর আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং সবুজ ডাকব্যবস্থা।

বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে ৯ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী ‘ডাকসেবা সপ্তাহ’ পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক প্রদর্শনী ও ডাকসেবা বিষয়ক মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া ৯ ও ১০ অক্টোবর সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম ব্যতীত ডাক বিভাগের সব পর্যায়ের কার্যালয়ে ডাকসেবা প্রদান উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত ও আধুনিক ডাক নেটওয়ার্ক দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, ই-কমার্স, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও জাতীয় উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।