ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

ফাঁসির আসামি পাহারায় মোতায়েন রাখতে হচ্ছে বিপুলসংখ্যক কারারক্ষী

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • / ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের কারাগারগুলোর ফাঁসির আসামি পাহারাতেই মোতায়েন রাখতে হচ্ছে বিপুলসংখ্যক কারারক্ষী। কারাগারগুলোতে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ফাঁসির আসামি রয়েছে। আর কারাগার পাহারায় কারারক্ষী আছে মাত্র ১২ হাজার। তার মধ্যে ফাঁসির আসামির পাহারাতে থাকছে প্রায় ৬ হাজার কারারক্ষী। কারণ প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একজন ফাঁসির আসামির পাহারায় ৩ জন কারারক্ষী থাকে। বর্তমানে সারাদেশের কারাগারগুলোতে ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি বন্দি রয়েছে। দেশের ৬৮টি কারাগারে বন্দী ধারণক্ষমতা ৪০ হাজার ৯৪৪ জন হলেও সেখানে ৮৮ হাজার ৮৪ কারাবন্দী রাখা হয়েছে। ওই কারাবন্দী পাহারার জন্য প্রায় ২৫ হাজার কারারক্ষীর প্রয়োজন হলেও বর্তমানে কারারক্ষী রয়েছে অর্ধেকেরও কম। তার মধ্যে অনেক কারারক্ষীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে তদন্ত চলমান, অনেকে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছে, অনেকে অসুস্থ ও ছুটিতে থাকায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক কারারক্ষীকেই কাজে পাওয়া যাচ্ছে না। আর এমন অবস্থায়ও কনডেম সেলের সামনে কারারক্ষী মোতায়েন রাখতেই হয়। কারাগার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশের কারাগারগুলোতে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি কারাবন্দী থাকার পাশাপাশি ফাঁসির আসামির সংখ্যা বাড়তে থাকায় কারাগারের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিয়মানুযায়ী প্রতিটি কনডেম সেলের সামনে একজন করে কারারক্ষী ৮ ঘণ্টা করে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে ২৪ ঘণ্টায় একজন আসামির পেছনে ৩ জন কারারক্ষী নিয়োজিত থাকে। ওই হিসাবে ১ হাজার ৯৮৩ ফাঁসির আসামির জনের জন্য প্রতিদিন ৫ হাজার ৯৪৯ জন কারারক্ষীর পাহারায় থাকার কথা। ফলে বর্তমানে কারাগারের ১২ হাজারের মতো রক্ষীর মধ্যে ফাঁসির আসামিদের পেছনে অর্ধেককেই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। বর্তমানে দেশের ৬৮টি কারাগারে অন্ততত ২৫ হাজার কারারক্ষী প্রয়োজন। কিন্তু রয়েছে তার অর্ধেকেরও কম। আর তার মধ্যেই কনডেম সেলে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য বিপুলসংখ্যক করারক্ষী মোতায়েন রাখতে হচ্ছে।
সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের ৬৮ কারাগারে বন্দী ধারণক্ষমতা ৪০ হাজার ৯৪৪ জন আর কারাবন্দী রাখা হয়েছে ৮৮ হাজার ৮৪। কারাগারের ধারণক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সরকার নবনির্মিত ৫টি কারাগারকে কারাগার-১ এবং পুরনো কারাগারকে কারাগার-২ হিসেবে ঘোষণা করেছে। তাছাড়া নতুন কারাগার নির্মাণ এবং পুরনো কারাগার সম্প্রসারণ বা নতুন ভবন তৈরি করেও বন্দি ধারণক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে সারাদেশের কারাগারে ১ হাজার ৯৮৩ জন ফাঁসির আসামি রয়েছে। তার মধ্যে কোনো কোনো মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামি ১৫-২০ বছরেরও বেশি সময় কনডেম সেলে রয়েছে। তাদের পেছনে সরকারেরও অনেক ব্যয় হচ্ছে। হাইকোর্টে অনেক ফাঁসির আসামির মামলায় ডেথ রেফারেন্সের শুনানি চলছে। আবার অনেকে ডেথ রেফারেন্স শেষ হওয়ার পর আপীল করেছে। উচ্চ আদালতে থাকা ওসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রায়ই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে থাকে।
সূত্র আরো জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশে ১৩টি কেন্দ্রীয় কারাগার ও ৫৫টি জেলা কারাগার রয়েছে। বাংলাদেশে ৬৮ কারাগারে কনডেম সেলে আছে মোট ৮৮৮ জন বন্দী। সাধারণ বন্দী ও ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত বন্দীদের জন্য থাকা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা এক নয়। অন্য বন্দীদের থাকার জায়গার সঙ্গে কনডেম সেলের বেশ পার্থক্য আছে। একজন বন্দী থাকার কনডেম সেল সাধারণত ১০ ফুট বাই ৬ ফুট আয়তনে থাকে। আবার অনেক কারাগারে সেলের মাপ কিছুটা বড় থাকে। কনডেম সেলের মধ্যে বন্দীর থাকা-খাওয়া, গোসল ও টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। একটি কনডেম সেলে সাধারণত একজন বা তিনজন বন্দী রাখা হয়। বাংলাদেশের জেল কোড বা কারাবিধিতে ফাঁসির আসামিদের কনডেম সেলে রাখার মতো কোন বিষয় উল্লেখ না থাকলেও তাদের আলাদা ধরনের কক্ষে রাখা হয়। একে একধরনের রেওয়াজ বলা যেতে পারে। কনডেম সেলের ভেতরে আলো-বাতাস চলাচলের জন্য ছোট আকারের জানালা থাকে। সাধারণত ধারণা করা হয়, কনডেম সেলে দুজন বন্দী থাকলে তারা কারাগার থেকে গোপনে পালানোর পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে তিনজন থাকলে পরিকল্পনা আর গোপন থাকে না। ওই ধারণা থেকেই দুজন বন্দীকে একটি কনডেম সেলে রাখা হয় না। আর এই সেলে থাকা বন্দীদের দিনে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেলের বাইরে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়। কারাবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদন্ড পাওয়ার পর একজন বন্দীকে কারাগারে সার্বক্ষণিক পাহারায় রাখা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

ফাঁসির আসামি পাহারায় মোতায়েন রাখতে হচ্ছে বিপুলসংখ্যক কারারক্ষী

আপডেট সময়ঃ ০৮:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের কারাগারগুলোর ফাঁসির আসামি পাহারাতেই মোতায়েন রাখতে হচ্ছে বিপুলসংখ্যক কারারক্ষী। কারাগারগুলোতে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ফাঁসির আসামি রয়েছে। আর কারাগার পাহারায় কারারক্ষী আছে মাত্র ১২ হাজার। তার মধ্যে ফাঁসির আসামির পাহারাতে থাকছে প্রায় ৬ হাজার কারারক্ষী। কারণ প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একজন ফাঁসির আসামির পাহারায় ৩ জন কারারক্ষী থাকে। বর্তমানে সারাদেশের কারাগারগুলোতে ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি বন্দি রয়েছে। দেশের ৬৮টি কারাগারে বন্দী ধারণক্ষমতা ৪০ হাজার ৯৪৪ জন হলেও সেখানে ৮৮ হাজার ৮৪ কারাবন্দী রাখা হয়েছে। ওই কারাবন্দী পাহারার জন্য প্রায় ২৫ হাজার কারারক্ষীর প্রয়োজন হলেও বর্তমানে কারারক্ষী রয়েছে অর্ধেকেরও কম। তার মধ্যে অনেক কারারক্ষীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে তদন্ত চলমান, অনেকে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছে, অনেকে অসুস্থ ও ছুটিতে থাকায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক কারারক্ষীকেই কাজে পাওয়া যাচ্ছে না। আর এমন অবস্থায়ও কনডেম সেলের সামনে কারারক্ষী মোতায়েন রাখতেই হয়। কারাগার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশের কারাগারগুলোতে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি কারাবন্দী থাকার পাশাপাশি ফাঁসির আসামির সংখ্যা বাড়তে থাকায় কারাগারের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিয়মানুযায়ী প্রতিটি কনডেম সেলের সামনে একজন করে কারারক্ষী ৮ ঘণ্টা করে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে ২৪ ঘণ্টায় একজন আসামির পেছনে ৩ জন কারারক্ষী নিয়োজিত থাকে। ওই হিসাবে ১ হাজার ৯৮৩ ফাঁসির আসামির জনের জন্য প্রতিদিন ৫ হাজার ৯৪৯ জন কারারক্ষীর পাহারায় থাকার কথা। ফলে বর্তমানে কারাগারের ১২ হাজারের মতো রক্ষীর মধ্যে ফাঁসির আসামিদের পেছনে অর্ধেককেই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। বর্তমানে দেশের ৬৮টি কারাগারে অন্ততত ২৫ হাজার কারারক্ষী প্রয়োজন। কিন্তু রয়েছে তার অর্ধেকেরও কম। আর তার মধ্যেই কনডেম সেলে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য বিপুলসংখ্যক করারক্ষী মোতায়েন রাখতে হচ্ছে।
সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের ৬৮ কারাগারে বন্দী ধারণক্ষমতা ৪০ হাজার ৯৪৪ জন আর কারাবন্দী রাখা হয়েছে ৮৮ হাজার ৮৪। কারাগারের ধারণক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সরকার নবনির্মিত ৫টি কারাগারকে কারাগার-১ এবং পুরনো কারাগারকে কারাগার-২ হিসেবে ঘোষণা করেছে। তাছাড়া নতুন কারাগার নির্মাণ এবং পুরনো কারাগার সম্প্রসারণ বা নতুন ভবন তৈরি করেও বন্দি ধারণক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে সারাদেশের কারাগারে ১ হাজার ৯৮৩ জন ফাঁসির আসামি রয়েছে। তার মধ্যে কোনো কোনো মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামি ১৫-২০ বছরেরও বেশি সময় কনডেম সেলে রয়েছে। তাদের পেছনে সরকারেরও অনেক ব্যয় হচ্ছে। হাইকোর্টে অনেক ফাঁসির আসামির মামলায় ডেথ রেফারেন্সের শুনানি চলছে। আবার অনেকে ডেথ রেফারেন্স শেষ হওয়ার পর আপীল করেছে। উচ্চ আদালতে থাকা ওসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রায়ই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে থাকে।
সূত্র আরো জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশে ১৩টি কেন্দ্রীয় কারাগার ও ৫৫টি জেলা কারাগার রয়েছে। বাংলাদেশে ৬৮ কারাগারে কনডেম সেলে আছে মোট ৮৮৮ জন বন্দী। সাধারণ বন্দী ও ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত বন্দীদের জন্য থাকা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা এক নয়। অন্য বন্দীদের থাকার জায়গার সঙ্গে কনডেম সেলের বেশ পার্থক্য আছে। একজন বন্দী থাকার কনডেম সেল সাধারণত ১০ ফুট বাই ৬ ফুট আয়তনে থাকে। আবার অনেক কারাগারে সেলের মাপ কিছুটা বড় থাকে। কনডেম সেলের মধ্যে বন্দীর থাকা-খাওয়া, গোসল ও টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। একটি কনডেম সেলে সাধারণত একজন বা তিনজন বন্দী রাখা হয়। বাংলাদেশের জেল কোড বা কারাবিধিতে ফাঁসির আসামিদের কনডেম সেলে রাখার মতো কোন বিষয় উল্লেখ না থাকলেও তাদের আলাদা ধরনের কক্ষে রাখা হয়। একে একধরনের রেওয়াজ বলা যেতে পারে। কনডেম সেলের ভেতরে আলো-বাতাস চলাচলের জন্য ছোট আকারের জানালা থাকে। সাধারণত ধারণা করা হয়, কনডেম সেলে দুজন বন্দী থাকলে তারা কারাগার থেকে গোপনে পালানোর পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে তিনজন থাকলে পরিকল্পনা আর গোপন থাকে না। ওই ধারণা থেকেই দুজন বন্দীকে একটি কনডেম সেলে রাখা হয় না। আর এই সেলে থাকা বন্দীদের দিনে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেলের বাইরে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়। কারাবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদন্ড পাওয়ার পর একজন বন্দীকে কারাগারে সার্বক্ষণিক পাহারায় রাখা হয়।