ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

বিএনপি ইতিহাস বিকৃতির জনক: কাদের

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২
  • / ৩৮৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এদেশের ইতিহাস বিকৃতির জনক হচ্ছে বিএনপি, তারাই ইতিহাসের ফুটনোট জিয়াউর রহমানকে ইতিহাসের নায়ক বানানোর ব্যর্থ চেষ্টা করেছে। আজ সোমবার নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে একথা বলেন তিনি। স্বাধীনতার ৫০ বছরে আওয়ামী লীগ নাকি যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই ইতিহাস বিকৃতি করেছে; বিএনপি মহাসচিবের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তার এ অভিযোগ চরম অসত্য, ভিত্তিহীন এবং পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয়। আওয়ামী লীগ কখনো ইতিহাস বিকৃত করে না বরং প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরে বলেই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ হয়। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, যার নেতৃত্বে বাঙালি জাতির হাজার বছরের আরাধ্য কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা আসে সেই বঙ্গবন্ধু বিএনপির শাসনামলে হয়ে যায় এক নিষিদ্ধ নাম। মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি জয় বাংলা স্লোগানকে বিএনপি নিষিদ্ধ করে দেয়, বন্ধ করে দেয় ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার। গণমাধ্যম থেকে পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত সব জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার অপপ্রয়াস চালানো হয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতিহাস বিকৃতির ঘৃণ্য চর্চা বিএনপি আবারও শুরু করেছে। বিএনপি নেতারা তাদের চেয়ারপারসন বেগম জিয়াকে দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং দ-প্রাপ্ত, পলাতক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা বানানোর মতো ঘৃণ্য অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির হাতে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ইতিহাস কিছুই নিরাপদ নয় বলেও দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ইতিহাস চলে তার নিজস্ব গতিতে, এ চির সত্য বিএনপি নেতারা হয়তো জানে না, হাতের তালু দিয়ে যেমন সূর্যকে ঢাকা যায় না, তেমনি স্বাধীনতার ইতিহাসও আজ স্বমহিমায় সমুজ্জ্বল বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস আজ জানতে পারছে, যারা ইতিহাসের পায়ে শিকল পরিয়েছিল তাদের স্বরূপ আজ উন্মোচিত হচ্ছে। তাইতো বিএনপি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, শুরু করেছে পুরনো খেলা, চর্চা করছে অগণতান্ত্রিক পথ, কিন্তু জনগণ এখন সজাগ। আওয়ামী লীগের সময় নাকি শেষ হয়ে এসেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের সময় শেষ হয়ে আসেনি, সময় শেষ হয়ে এসেছে বিএনপির অপরাজনীতির। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনে করেন সাম্প্রতিক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপিকে জনগণের প্রত্যাখ্যান এবং তাদের আন্দোলনের ডাকে সাড়া না দেওয়ায় বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়ে গেছে। তিনি বলেন, যারা দীর্ঘদিন রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল তারা যখন বলেন স্বাধীনতার ৫০ বছরে কী পেলাম তখন আসলে এটাই প্রতীয়মান হয় তারা এদেশের মানুষের কল্যাণে কিছুই করেনি। তাই তারা দেশের কোনো ভালো অর্জন দেখতে পায় না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

বিএনপি ইতিহাস বিকৃতির জনক: কাদের

আপডেট সময়ঃ ০৭:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এদেশের ইতিহাস বিকৃতির জনক হচ্ছে বিএনপি, তারাই ইতিহাসের ফুটনোট জিয়াউর রহমানকে ইতিহাসের নায়ক বানানোর ব্যর্থ চেষ্টা করেছে। আজ সোমবার নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে একথা বলেন তিনি। স্বাধীনতার ৫০ বছরে আওয়ামী লীগ নাকি যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই ইতিহাস বিকৃতি করেছে; বিএনপি মহাসচিবের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তার এ অভিযোগ চরম অসত্য, ভিত্তিহীন এবং পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয়। আওয়ামী লীগ কখনো ইতিহাস বিকৃত করে না বরং প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরে বলেই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ হয়। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, যার নেতৃত্বে বাঙালি জাতির হাজার বছরের আরাধ্য কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা আসে সেই বঙ্গবন্ধু বিএনপির শাসনামলে হয়ে যায় এক নিষিদ্ধ নাম। মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি জয় বাংলা স্লোগানকে বিএনপি নিষিদ্ধ করে দেয়, বন্ধ করে দেয় ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার। গণমাধ্যম থেকে পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত সব জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার অপপ্রয়াস চালানো হয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতিহাস বিকৃতির ঘৃণ্য চর্চা বিএনপি আবারও শুরু করেছে। বিএনপি নেতারা তাদের চেয়ারপারসন বেগম জিয়াকে দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং দ-প্রাপ্ত, পলাতক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা বানানোর মতো ঘৃণ্য অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির হাতে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ইতিহাস কিছুই নিরাপদ নয় বলেও দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ইতিহাস চলে তার নিজস্ব গতিতে, এ চির সত্য বিএনপি নেতারা হয়তো জানে না, হাতের তালু দিয়ে যেমন সূর্যকে ঢাকা যায় না, তেমনি স্বাধীনতার ইতিহাসও আজ স্বমহিমায় সমুজ্জ্বল বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস আজ জানতে পারছে, যারা ইতিহাসের পায়ে শিকল পরিয়েছিল তাদের স্বরূপ আজ উন্মোচিত হচ্ছে। তাইতো বিএনপি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, শুরু করেছে পুরনো খেলা, চর্চা করছে অগণতান্ত্রিক পথ, কিন্তু জনগণ এখন সজাগ। আওয়ামী লীগের সময় নাকি শেষ হয়ে এসেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের সময় শেষ হয়ে আসেনি, সময় শেষ হয়ে এসেছে বিএনপির অপরাজনীতির। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনে করেন সাম্প্রতিক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপিকে জনগণের প্রত্যাখ্যান এবং তাদের আন্দোলনের ডাকে সাড়া না দেওয়ায় বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়ে গেছে। তিনি বলেন, যারা দীর্ঘদিন রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল তারা যখন বলেন স্বাধীনতার ৫০ বছরে কী পেলাম তখন আসলে এটাই প্রতীয়মান হয় তারা এদেশের মানুষের কল্যাণে কিছুই করেনি। তাই তারা দেশের কোনো ভালো অর্জন দেখতে পায় না।