ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

চেহারায় ভিন্নতা আনতে কেটে ফেললেন নাক-কান

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:৪০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২
  • / ১১০৫ বার পড়া হয়েছে

ফিচার ডেস্ক
সারা বিশ্বে প্রায় ৮০০ কোটি মানুষের বাস। এদের একেকজনের পছন্দ যেমন আলাদা। তেমনি একেকজনের শখও আলাদা। অনেকেই আছেন অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদা রাখতে চান। এজন্য নানা রকম উদ্ভট কাজ করেন। ব্রাজিলের এক ব্যক্তি অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে শরীরের ৮৫ শতাংশ ঢেকে ফেলেছেন ট্যাটু দিয়ে।

এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি। করোনা সংক্রমণ শেষ হওয়ায় মাস্ক পরার বিধি নিষেধ উঠে যাওয়াতে নিজের কান কেটে ফেলেছেন এই ব্যক্তি! শরীরের অসংখ্য পরিবর্তন ঘটিয়ে এখন তার পরিচয় ‘মানব শয়তান’। এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটিয়েছেন প্রাইয়া গ্র্যান্ডের মিশেল ফারো দো প্রাডো। চেহারা পরিবর্তন করার জন্য ৬০টিরও বেশি অপারেশন করিয়েছেন তিনি।

প্রাডো মাথায় শিং লাগিয়েছেন, নাভি ও নাকের একটি অংশও কেটে ফেলেছেন। এমনকি নিজের একটি আঙুলও কেটে ফেলেছিলেন তিনি। যেন তার হাত দেখতে এলিয়েনের মতো দেখায়। শরীরের সর্বশেষ পরিবর্তন হলো নিজের কান কেটে ফেলা। রসিকতা করে প্রাডো সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, এখন আর মাস্ক পরার দরকার নেই।

প্রাডোর কান কেটে ফেলার অপারেশনটি করেন মেক্সিকোর বডি মডিফায়ার গাট্টু মোরেনো। তিনি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রাডোর এই অপারেশনের কথা বলেছিলেন। সে কথা অবশ্য তার ফলোয়াররা প্রথমে বিশ্বাসই করেননি। তার ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় ৯৫ হাজার।

৩৩ বছর বয়সী মিশেল ফারো প্রাডো তার জিহবা কেটে দুই ভাগ করে নিয়েছেন। শরীরে রয়েছে অসংখ্য ছিদ্র ও ট্যাটু। প্রায় এক দশক ধরে চলছে তার এই পরিবর্তনের কাজ। মিশেল প্রাডো তার নাক-কান অপসারণের জন্য গিয়ছিলেন ফ্রান্সে। কারণ তার দেশে এসবের বৈধতা নেই।

jagonews24

প্রাডো তার এই পরিবর্তন নিয়ে খুবই খুশি। এমনকি তার এমন আজব চেহারা ও অদ্ভুতুড়ে নেশা সত্ত্বেও তার পরিবার ও বন্ধুরা সবসময়ই তাকে সমর্থন জুগিয়ে এসেছে। শুধু প্রাডো নয়, তার স্ত্রী ক্যারলেরও শরীরে বেশিরভাগ অংশ ট্যাটুতে ঢাকা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি ডিমেন ওমেন নামে পরিচিত।

প্রাডোর নতুন চেহারার একটি ছবি রেডিটে ভাইরাল হয়। এরপরই ভাইরাল হয়ে যায় ছবিটি। রীতিমতো ভয়ে বিস্ময়ে হাঁ হয়ে থেকেছেন অনেকেই। প্রাডো মূলত অন্যদের থেকে সব সময় আলাদা থাকতে চাইতেন। আর নিজের চেহারা খুব একটা পছন্দও ছিল না তার। তাই এই উপায় বেছে নিয়েছেন তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

চেহারায় ভিন্নতা আনতে কেটে ফেললেন নাক-কান

আপডেট সময়ঃ ০৪:৪০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২

ফিচার ডেস্ক
সারা বিশ্বে প্রায় ৮০০ কোটি মানুষের বাস। এদের একেকজনের পছন্দ যেমন আলাদা। তেমনি একেকজনের শখও আলাদা। অনেকেই আছেন অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদা রাখতে চান। এজন্য নানা রকম উদ্ভট কাজ করেন। ব্রাজিলের এক ব্যক্তি অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে শরীরের ৮৫ শতাংশ ঢেকে ফেলেছেন ট্যাটু দিয়ে।

এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি। করোনা সংক্রমণ শেষ হওয়ায় মাস্ক পরার বিধি নিষেধ উঠে যাওয়াতে নিজের কান কেটে ফেলেছেন এই ব্যক্তি! শরীরের অসংখ্য পরিবর্তন ঘটিয়ে এখন তার পরিচয় ‘মানব শয়তান’। এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটিয়েছেন প্রাইয়া গ্র্যান্ডের মিশেল ফারো দো প্রাডো। চেহারা পরিবর্তন করার জন্য ৬০টিরও বেশি অপারেশন করিয়েছেন তিনি।

প্রাডো মাথায় শিং লাগিয়েছেন, নাভি ও নাকের একটি অংশও কেটে ফেলেছেন। এমনকি নিজের একটি আঙুলও কেটে ফেলেছিলেন তিনি। যেন তার হাত দেখতে এলিয়েনের মতো দেখায়। শরীরের সর্বশেষ পরিবর্তন হলো নিজের কান কেটে ফেলা। রসিকতা করে প্রাডো সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, এখন আর মাস্ক পরার দরকার নেই।

প্রাডোর কান কেটে ফেলার অপারেশনটি করেন মেক্সিকোর বডি মডিফায়ার গাট্টু মোরেনো। তিনি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রাডোর এই অপারেশনের কথা বলেছিলেন। সে কথা অবশ্য তার ফলোয়াররা প্রথমে বিশ্বাসই করেননি। তার ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় ৯৫ হাজার।

৩৩ বছর বয়সী মিশেল ফারো প্রাডো তার জিহবা কেটে দুই ভাগ করে নিয়েছেন। শরীরে রয়েছে অসংখ্য ছিদ্র ও ট্যাটু। প্রায় এক দশক ধরে চলছে তার এই পরিবর্তনের কাজ। মিশেল প্রাডো তার নাক-কান অপসারণের জন্য গিয়ছিলেন ফ্রান্সে। কারণ তার দেশে এসবের বৈধতা নেই।

jagonews24

প্রাডো তার এই পরিবর্তন নিয়ে খুবই খুশি। এমনকি তার এমন আজব চেহারা ও অদ্ভুতুড়ে নেশা সত্ত্বেও তার পরিবার ও বন্ধুরা সবসময়ই তাকে সমর্থন জুগিয়ে এসেছে। শুধু প্রাডো নয়, তার স্ত্রী ক্যারলেরও শরীরে বেশিরভাগ অংশ ট্যাটুতে ঢাকা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি ডিমেন ওমেন নামে পরিচিত।

প্রাডোর নতুন চেহারার একটি ছবি রেডিটে ভাইরাল হয়। এরপরই ভাইরাল হয়ে যায় ছবিটি। রীতিমতো ভয়ে বিস্ময়ে হাঁ হয়ে থেকেছেন অনেকেই। প্রাডো মূলত অন্যদের থেকে সব সময় আলাদা থাকতে চাইতেন। আর নিজের চেহারা খুব একটা পছন্দও ছিল না তার। তাই এই উপায় বেছে নিয়েছেন তিনি।