ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার ওসএমএসে চাল বিক্রি বাড়াচ্ছে

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ এপ্রিল ২০২২
  • / ৩৪২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাজার স্থিতিশীল রাখতে খোলাবাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) বাড়াচ্ছে সরকার। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে ওএমএসে যে চাল ও গমের বরাদ্দ ছিল ইতিমধ্যে তার বিতরণ শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। এমন অবস্থায় অর্থবছরের বাকি সময়ের জন্য এক লাখ টন চাল ও ৫০ হাজার টন গম নতুন করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এপ্রিল, মে ও জুন মাসে ওসব চাল ও গম ওএমএসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। খাদ্য অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সম্প্রতি চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ওএমএসের দোকানে ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে। চলতি অর্থবছরে ওএমএস খাতে ৪ লাখ ৭০ হাজার টন চালের বরাদ্দ রয়েছে। আর গমের বরাদ্দ রয়েছে ৪ লাখ ৬৪ হাজার টন। গত ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ৪ লাখ ২৫ হাজার টন চাল ও ৩ লাখ ৭৮ হাজার টন গম ওএমএসের মাধ্যমে খোলাবাজারে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। বর্তমানে খাদ্য বিভাগের কাছে ওএমএস বাবদ ৪৪ হাজার ২০০ টন চাল ও ৮৫ হাজার ২০০ টন গম মজুত রয়েছে। কিন্তু ওএমএসের দোকানে ক্রেতার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ওই মজুত দিয়ে অর্থবছরের বাকি সময় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়।
সূত্র জানায়, বর্তমানে সারাদেশে দোকান ও ট্রাকসেল মিলিয়ে এক হাজার ৯৭৬টি কেন্দ্রে ওএমএসের চাল ও গম বিক্রি করা হয়। ওসব কেন্দ্রে দৈনিক ২ হাজার ৫৬৩ টন চাল এবং এক হাজার ২৪০ টন গম সরবরাহ করা হয়ে থাকে। অর্থবছরের বাকি সময়ে সরকারি ছুটি ব্যতীত আরো ৫৯ দিন ওএমএস কার্যক্রম চলবে। তাতে এক লাখ ৫১ হাজার টন চাল ও ৭৩ হাজার টন গম লাগবে। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্য মন্ত্রণালয় বাড়তি চাহিদা মেটাতে অত্যাবশ্যকীয়ভাবে ও জরুরি বিবেচনায় ওএমএস কার্যক্রমের জন্য এক লাখ টন চাল ও ৫০ হাজার টন গম বরাদ্দ দিয়েছে। ওএমএসে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা ও প্রতি কেচি আটা ১৮ টাকা দরে বিক্রি হয়। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫ কেজি করে কিনতে পারেন।
এদিকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যানুযায়ী, ঢাকা মহানগরের বাজারগুলোতে আজ প্রতি কেজি মোটা চাল ৪৫ থেকে ৪৭ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা দরে প্রতি কেজি খোলা আটা বিক্রি হয়েছে। দেশের অন্যান্য বাজারেও একই দরে চাল ও আটা বেচাকেনা হচ্ছে বলে জানা যায়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার ওসএমএসে চাল বিক্রি বাড়াচ্ছে

আপডেট সময়ঃ ০৯:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ এপ্রিল ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাজার স্থিতিশীল রাখতে খোলাবাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) বাড়াচ্ছে সরকার। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে ওএমএসে যে চাল ও গমের বরাদ্দ ছিল ইতিমধ্যে তার বিতরণ শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। এমন অবস্থায় অর্থবছরের বাকি সময়ের জন্য এক লাখ টন চাল ও ৫০ হাজার টন গম নতুন করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এপ্রিল, মে ও জুন মাসে ওসব চাল ও গম ওএমএসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। খাদ্য অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সম্প্রতি চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ওএমএসের দোকানে ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে। চলতি অর্থবছরে ওএমএস খাতে ৪ লাখ ৭০ হাজার টন চালের বরাদ্দ রয়েছে। আর গমের বরাদ্দ রয়েছে ৪ লাখ ৬৪ হাজার টন। গত ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ৪ লাখ ২৫ হাজার টন চাল ও ৩ লাখ ৭৮ হাজার টন গম ওএমএসের মাধ্যমে খোলাবাজারে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। বর্তমানে খাদ্য বিভাগের কাছে ওএমএস বাবদ ৪৪ হাজার ২০০ টন চাল ও ৮৫ হাজার ২০০ টন গম মজুত রয়েছে। কিন্তু ওএমএসের দোকানে ক্রেতার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ওই মজুত দিয়ে অর্থবছরের বাকি সময় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়।
সূত্র জানায়, বর্তমানে সারাদেশে দোকান ও ট্রাকসেল মিলিয়ে এক হাজার ৯৭৬টি কেন্দ্রে ওএমএসের চাল ও গম বিক্রি করা হয়। ওসব কেন্দ্রে দৈনিক ২ হাজার ৫৬৩ টন চাল এবং এক হাজার ২৪০ টন গম সরবরাহ করা হয়ে থাকে। অর্থবছরের বাকি সময়ে সরকারি ছুটি ব্যতীত আরো ৫৯ দিন ওএমএস কার্যক্রম চলবে। তাতে এক লাখ ৫১ হাজার টন চাল ও ৭৩ হাজার টন গম লাগবে। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্য মন্ত্রণালয় বাড়তি চাহিদা মেটাতে অত্যাবশ্যকীয়ভাবে ও জরুরি বিবেচনায় ওএমএস কার্যক্রমের জন্য এক লাখ টন চাল ও ৫০ হাজার টন গম বরাদ্দ দিয়েছে। ওএমএসে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা ও প্রতি কেচি আটা ১৮ টাকা দরে বিক্রি হয়। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫ কেজি করে কিনতে পারেন।
এদিকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যানুযায়ী, ঢাকা মহানগরের বাজারগুলোতে আজ প্রতি কেজি মোটা চাল ৪৫ থেকে ৪৭ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা দরে প্রতি কেজি খোলা আটা বিক্রি হয়েছে। দেশের অন্যান্য বাজারেও একই দরে চাল ও আটা বেচাকেনা হচ্ছে বলে জানা যায়।