আরো দুই হত্যা মামলায় খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই
- আপডেট সময়ঃ ০১:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
- / ২৬ বার পড়া হয়েছে
জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানার হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে আপাতত তার কারামুক্তিতে আর কোনও বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এ মামলা ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায়ে জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। একই অভিযোগে ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় মামলা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা আব্দুল বারী ভূঁইয়া। ওই দিনই বন্দর থানায় আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা। এছাড়া প্লট জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদকও একটি মামলা করে।
এসব মামলায় অধস্তন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। পরে পাঁচ মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। গত ৮ মার্চ চার মামলায় এবং ১১ মার্চ দুদকের মামলায়ও জামিন পান খায়রুল হক।
এরপর গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল মঞ্জুর করে চার মামলায় জামিন দেন। ১১ মার্চ দুদকের মামলায়ও জামিন পান তিনি।
তবে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে ২৮ এপ্রিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ তা খারিজ করে দেন।
এর মধ্যে অধস্তন আদালতে যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানার আরও দুই হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে ওই দুই মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করলে আদালত আজ মঙ্গলবার তা মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এ বি এম খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। ২০১১ সালের ১৭ মে অবসরে যাওয়ার পর তিনি তিন দফা আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।























