ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের রিট খারিজ চাইলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪
  • / ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ চেয়ে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ চেয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটের ওপর শুনানি হয়। শুনারিকালে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান আদালতকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নেই রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের। সংবিধানে রাজনৈতিক দল পরিচালনার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা খর্ব করবে না সরকার। বিগত কর্তৃত্ববাদী সরকারের অনেক অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়েছে মানুষ। সেগুলোর বিচারের জন্য আইন ও আদালত রয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের যারা নেতাকর্মী রয়েছেন তারা দলের মতাদর্শ ধারণ করেন। এজন্য দল নিষিদ্ধ করার সুযোগ নেই। রিট প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, যিনি রিট দায়ের করেছেন তার কোনো এখতিয়ার নেই এটা করার। রিটে আওয়ামী লীগকে বিবাদী করা হয়নি। সারডা নামের সংগঠন যে রিট করেছে তার গঠনতন্ত্রও এ ধরনের রিট দায়েরের অনুমোদন দেয় না। তিনি বলেন, অতীতে অনেক রাজনৈতিক বিষয়কে কোর্টে টেনে আনা হয়েছে। এর মূল্য দিতে হয়েছে আমাদের। যে গণঅভ্যুত্থানটি হয়েছে তা বিচার বিভাগের ওপরও এসেছে। কোর্টে কোনো ঘটনা হলে আইনজীবী হিসেবে আমার ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়। এজন্য মাঠের রাজনীতি মাঠেই থাকুক। সে জন্য রিট সরাসরি খারিজ করে আবেদনকারীর ওপর কষ্ট (খরচ) আরোপ করা হোক। পরে রিটকারী সময় চাইলে আগামী ১ সেপ্টেম্বর আদেশে দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট। গত ১৯ আগস্ট ছাত্র-জনতাকে হত্যার দায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও দল হিসেবে তাদের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে রিট আবেদনে শেখ হাসিনার নামে যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলোর নাম পরিবর্তনও চাওয়া হয়। মানবাধিকার সংগঠন সারডা সোসাইটির পক্ষে নির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া রিটটি দায়ের করেন। রিটে দেশ সংস্কারের লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সর্বনিম্ন তিন বছর চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশে পাচার করা ১১ লাখ কোটি টাকা ফেরত আনতে এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বদলির নির্দেশনা চাওয়া হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের রিট খারিজ চাইলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

আপডেট সময়ঃ ০৮:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ চেয়ে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ চেয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটের ওপর শুনানি হয়। শুনারিকালে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান আদালতকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নেই রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের। সংবিধানে রাজনৈতিক দল পরিচালনার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা খর্ব করবে না সরকার। বিগত কর্তৃত্ববাদী সরকারের অনেক অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়েছে মানুষ। সেগুলোর বিচারের জন্য আইন ও আদালত রয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের যারা নেতাকর্মী রয়েছেন তারা দলের মতাদর্শ ধারণ করেন। এজন্য দল নিষিদ্ধ করার সুযোগ নেই। রিট প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, যিনি রিট দায়ের করেছেন তার কোনো এখতিয়ার নেই এটা করার। রিটে আওয়ামী লীগকে বিবাদী করা হয়নি। সারডা নামের সংগঠন যে রিট করেছে তার গঠনতন্ত্রও এ ধরনের রিট দায়েরের অনুমোদন দেয় না। তিনি বলেন, অতীতে অনেক রাজনৈতিক বিষয়কে কোর্টে টেনে আনা হয়েছে। এর মূল্য দিতে হয়েছে আমাদের। যে গণঅভ্যুত্থানটি হয়েছে তা বিচার বিভাগের ওপরও এসেছে। কোর্টে কোনো ঘটনা হলে আইনজীবী হিসেবে আমার ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়। এজন্য মাঠের রাজনীতি মাঠেই থাকুক। সে জন্য রিট সরাসরি খারিজ করে আবেদনকারীর ওপর কষ্ট (খরচ) আরোপ করা হোক। পরে রিটকারী সময় চাইলে আগামী ১ সেপ্টেম্বর আদেশে দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট। গত ১৯ আগস্ট ছাত্র-জনতাকে হত্যার দায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও দল হিসেবে তাদের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে রিট আবেদনে শেখ হাসিনার নামে যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলোর নাম পরিবর্তনও চাওয়া হয়। মানবাধিকার সংগঠন সারডা সোসাইটির পক্ষে নির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া রিটটি দায়ের করেন। রিটে দেশ সংস্কারের লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সর্বনিম্ন তিন বছর চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশে পাচার করা ১১ লাখ কোটি টাকা ফেরত আনতে এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বদলির নির্দেশনা চাওয়া হয়।