ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

আটকের পর মৃত্যু: ক্যাম্প কমান্ডারসহ সেনা সদস্যদের প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:০৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৪৭৪ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে অস্ত্রসহ আটক এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প কমান্ডারসহ অভিযানে অংশগ্রহণকারী সব সেনা সদস্যকে এরইমধ্যে সেনানিবাসে প্রত্যাহার করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১২ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে জীবননগর উপজেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী। অভিযানকালে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মো. শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলু (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই ফার্মেসিতে তল্লাশি চালিয়ে একটি ৯ মিমি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে টহল দল।

আইএসপিআর জানায়, অভিযান শেষে আটক শামসুজ্জামান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাত আনুমানিক ১২টা ২৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আইএসপিআর তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একইসঙ্গে ঘটনার সঠিক কারণ উদ্ঘাটনে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

আটকের পর মৃত্যু: ক্যাম্প কমান্ডারসহ সেনা সদস্যদের প্রত্যাহার

আপডেট সময়ঃ ০৫:০৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে অস্ত্রসহ আটক এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প কমান্ডারসহ অভিযানে অংশগ্রহণকারী সব সেনা সদস্যকে এরইমধ্যে সেনানিবাসে প্রত্যাহার করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১২ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে জীবননগর উপজেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী। অভিযানকালে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মো. শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলু (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই ফার্মেসিতে তল্লাশি চালিয়ে একটি ৯ মিমি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে টহল দল।

আইএসপিআর জানায়, অভিযান শেষে আটক শামসুজ্জামান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাত আনুমানিক ১২টা ২৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আইএসপিআর তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একইসঙ্গে ঘটনার সঠিক কারণ উদ্ঘাটনে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।