বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনে স্কলারশিপ বাড়ানোর আহ্বান মাহদী আমিনের
- আপডেট সময়ঃ ০২:৩৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
- / ১১ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে শিক্ষাকেই অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
চীন সরকারের আমন্ত্রণে সফররত মাহদী আমিন বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘চীন-বাংলাদেশ এডুকেশন কো-অপারেশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও গভীর বন্ধুত্বের সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে এ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। বর্তমান সরকারও চীনের সাথে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।’
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকারের মূল অঙ্গীকার হলো নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করা। সে লক্ষ্যে সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি তরুণদের আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে এগিয়ে রাখতে মান্দারিন (চীনা ভাষা) সহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
শিক্ষাকে সার্বজনীন ও সম্পূর্ণ কর্মমুখী করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা জানান, চীনের শীর্ষস্থানীয় পলিটেকনিক ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ বৃদ্ধি, যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ এবং আধুনিক ল্যাব সুবিধা নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ।
চীনের বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, ‘উভয় দেশের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় বাড়াতে হবে। একই সাথে চীনে বর্তমানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে নিবিড় সহযোগিতা প্রয়োজন।’
অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ দাউদ মিয়াসহ চীনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিগণ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় যৌথ আন্তর্জাতিক সেবা কেন্দ্র ‘চীন-বাংলাদেশ শিল্প ও শিক্ষা একীকরণ আন্তর্জাতিক সেবা কেন্দ্র’-এর আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করা হয়।



















