ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ | ই-পেপার

ইরানে মুদ্রা রিয়ালের মানে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পতন, কেজি মাংস ১ কোটি ৭৫ লাখ

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১০:১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১০ বার পড়া হয়েছে

ইরানে মুদ্রা রিয়ালের মানে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পতন। এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে এখন প্রায় ২০ লাখ ২১ হাজার ৯৫০ রিয়াল। মুদ্রার এই ধসে আকাশছোঁয়া নিত্যপণ্যের দাম, চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি আর যুদ্ধ সব মিলিয়ে ভয়াবহ সংকটে ইরানের অর্থনীতি।

তেহরানের বাজারে মাত্র ছয় মাসে অনেক নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ থেকে ছয় গুণ পর্যন্ত।

এক কেজি গরুর মাংসের দাম এখন প্রায় ১ কোটি ৭৫ লাখ রিয়াল। মুরগি ৭৩ লাখ, এক লিটার রান্নার তেল ৬৮ লাখ আর এক ডজন ডিম ৬৪ লাখ রিয়াল।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা ওষুধে। জীবন রক্ষাকারী ইনসুলিনের দাম বেড়েছে ৬৪২ শতাংশ ১২ লাখ থেকে প্রায় ৮৯ লাখ রিয়াল।

অন্যদিকে, ন্যূনতম মাসিক মজুরি প্রায় ৮২ ডলার। কিন্তু দ্রুত মূল্যস্ফীতির কারণে মাস শেষ হওয়ার আগেই কমে যাচ্ছে বেতনের ক্রয়ক্ষমতা।

ব্যবসায়ীদেরও একই সংকট। তেহরানের অনেক দোকানে বিক্রি কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদদের মতে, যুদ্ধ সংকটকে আরও তীব্র করেছে। তবে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, উৎপাদন সংকট, বেকারত্ব ও স্থবির মজুরিই ইরানের অর্থনৈতিক দুরবস্থার বড় কারণ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে মুদ্রা রিয়ালের মানে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পতন, কেজি মাংস ১ কোটি ৭৫ লাখ

আপডেট সময়ঃ ১০:১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

ইরানে মুদ্রা রিয়ালের মানে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পতন। এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে এখন প্রায় ২০ লাখ ২১ হাজার ৯৫০ রিয়াল। মুদ্রার এই ধসে আকাশছোঁয়া নিত্যপণ্যের দাম, চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি আর যুদ্ধ সব মিলিয়ে ভয়াবহ সংকটে ইরানের অর্থনীতি।

তেহরানের বাজারে মাত্র ছয় মাসে অনেক নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ থেকে ছয় গুণ পর্যন্ত।

এক কেজি গরুর মাংসের দাম এখন প্রায় ১ কোটি ৭৫ লাখ রিয়াল। মুরগি ৭৩ লাখ, এক লিটার রান্নার তেল ৬৮ লাখ আর এক ডজন ডিম ৬৪ লাখ রিয়াল।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা ওষুধে। জীবন রক্ষাকারী ইনসুলিনের দাম বেড়েছে ৬৪২ শতাংশ ১২ লাখ থেকে প্রায় ৮৯ লাখ রিয়াল।

অন্যদিকে, ন্যূনতম মাসিক মজুরি প্রায় ৮২ ডলার। কিন্তু দ্রুত মূল্যস্ফীতির কারণে মাস শেষ হওয়ার আগেই কমে যাচ্ছে বেতনের ক্রয়ক্ষমতা।

ব্যবসায়ীদেরও একই সংকট। তেহরানের অনেক দোকানে বিক্রি কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদদের মতে, যুদ্ধ সংকটকে আরও তীব্র করেছে। তবে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, উৎপাদন সংকট, বেকারত্ব ও স্থবির মজুরিই ইরানের অর্থনৈতিক দুরবস্থার বড় কারণ।