ঢাকা, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ | ই-পেপার

১০ মাস ধরে সিইওহীন চসিক, প্রশ্নে প্রশাসনিক গতি

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:৩৭:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / ৪৫ বার পড়া হয়েছে

আবদুল মতিন চৌধুরী রিপন বিশেষ প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রায় ১০ মাস ধরে শূন্য। একজন পূর্ণকালীন সিইও ছাড়াই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম চলছে অতিরিক্ত দায়িত্বের ওপর ভর করে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিষ্পত্তি, প্রকল্প অনুমোদন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে ধীরগতির অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
চসিকের অভ্যন্তরীণ সূত্র, ঠিকাদার এবং সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সচিব ও সিইও—দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ এক ব্যক্তির কাঁধে থাকায় কার্যত প্রশাসনিক ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। যদিও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

চসিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর উচ্চতর প্রশিক্ষণে অংশ নিতে ছুটিতে যান তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। তাঁর অনুপস্থিতিতে চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে ২৩ অক্টোবর কর্মস্থলে যোগ দিতে এলেও তাঁর যোগদানপত্র গ্রহণ করেননি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। অনুসন্ধানে জানা যায়, তৌহিদুল ইসলামের সঙ্গে মেয়রের দূরত্ব কয়েক মাস ধরেই বাড়ছিল। এর আগেই গত বছরের ৩০ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক ডিও লেটারে মেয়র তাঁকে চসিক থেকে সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের কারণে চসিকের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দুদকের তদন্ত প্রশাসনিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

ঘটনাপ্রবাহের একপর্যায়ে ‘চসিকের সকল সাধারণ কর্মচারীবৃন্দ’ ব্যানারে নগর ভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করা হয়। একই সময়ে তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাঁর অপসারণ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাঁকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে বদলি করে। তবে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে প্রায় এক বছর ধরে অতিরিক্ত দায়িত্বে সিইওর দায়িত্ব পালন করছেন সচিব মো. আশরাফুল আমিন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চসিকের কয়েকজন কর্মকর্তা ও ঠিকাদার দাবি করেন, দুই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব একসঙ্গে পালনের কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময় লাগছে।
তাদের ভাষ্য, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল দিনের পর দিন পড়ে থাকে। প্রকল্প, বিল পরিশোধ, প্রশাসনিক অনুমোদন এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক সিদ্ধান্তে বিলম্ব হচ্ছে। এতে নাগরিক সেবা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক কর্মকর্তা বলেন, “সচিব ও সিইও—দুটি পদই আলাদা গুরুত্বের। একটি সামলাতে গিয়ে আরেকটি স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিন এভাবে চলা উচিত নয়।”

তবে এসব অভিযোগের বিষয় জানার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিনকে অনেকবার খুদে বার্তা দিয়েও পাওয়া যায়নি । মেয়র ও তৎকালীন সিইওর দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।

একদিকে মেয়র স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তৌহিদুল ইসলামকে অপসারণের সুপারিশ করেন, অন্যদিকে তৌহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন যে প্রশিক্ষণ শেষে তাঁকে কর্মস্থলে যোগদান করতে দেওয়া হয়নি।

তদন্ত হলেও এখন পর্যন্ত সেই তদন্তের ফলাফল কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসেনি।

চসিক সূত্র বলছে, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদটি প্রশাসনিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ দীর্ঘ ১০ মাসেও নতুন কর্মকর্তা পদায়ন না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পদায়নের ক্ষমতা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের হাতে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিটি কর্পোরেশন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে দীর্ঘদিন কাজ চললে কিছু অসুবিধা হওয়া স্বাভাবিক। তবে কর্মকর্তা পদায়ন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আমরা বিষয়টি তাদের জানিয়েছি। তারা কর্মকর্তা দিলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।” অন্যদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের অন্যতম বৃহৎ সিটি কর্পোরেশনে দীর্ঘদিন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকা প্রশাসনিক দুর্বলতারই ইঙ্গিত দেয়।

তাদের মতে, মেয়র ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব যদি কোনো পদ শূন্য থাকার কারণ হয়ে থাকে, তাহলে তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত পড়ে নাগরিক সেবার ওপর। আর সেই খেসারত দিতে হয় সাধারণ নগরবাসীকে। প্রায় ১০ মাস আগে যাকে সরাতে এত তৎপরতা দেখা গিয়েছিল, তাঁর স্থানে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগে কেন এত দীর্ঘসূত্রতা?
চসিকের প্রশাসনিক কার্যক্রম কি সত্যিই স্বাভাবিক রয়েছে, নাকি অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে ধীরগতির শিকার হচ্ছে? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অমীমাংসিত। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মতো বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকা প্রশাসনিক স্বাভাবিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

১০ মাস ধরে সিইওহীন চসিক, প্রশ্নে প্রশাসনিক গতি

আপডেট সময়ঃ ০৫:৩৭:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আবদুল মতিন চৌধুরী রিপন বিশেষ প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রায় ১০ মাস ধরে শূন্য। একজন পূর্ণকালীন সিইও ছাড়াই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম চলছে অতিরিক্ত দায়িত্বের ওপর ভর করে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিষ্পত্তি, প্রকল্প অনুমোদন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে ধীরগতির অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
চসিকের অভ্যন্তরীণ সূত্র, ঠিকাদার এবং সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সচিব ও সিইও—দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ এক ব্যক্তির কাঁধে থাকায় কার্যত প্রশাসনিক ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। যদিও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

চসিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর উচ্চতর প্রশিক্ষণে অংশ নিতে ছুটিতে যান তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। তাঁর অনুপস্থিতিতে চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে ২৩ অক্টোবর কর্মস্থলে যোগ দিতে এলেও তাঁর যোগদানপত্র গ্রহণ করেননি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। অনুসন্ধানে জানা যায়, তৌহিদুল ইসলামের সঙ্গে মেয়রের দূরত্ব কয়েক মাস ধরেই বাড়ছিল। এর আগেই গত বছরের ৩০ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক ডিও লেটারে মেয়র তাঁকে চসিক থেকে সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের কারণে চসিকের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দুদকের তদন্ত প্রশাসনিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

ঘটনাপ্রবাহের একপর্যায়ে ‘চসিকের সকল সাধারণ কর্মচারীবৃন্দ’ ব্যানারে নগর ভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করা হয়। একই সময়ে তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাঁর অপসারণ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাঁকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে বদলি করে। তবে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে প্রায় এক বছর ধরে অতিরিক্ত দায়িত্বে সিইওর দায়িত্ব পালন করছেন সচিব মো. আশরাফুল আমিন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চসিকের কয়েকজন কর্মকর্তা ও ঠিকাদার দাবি করেন, দুই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব একসঙ্গে পালনের কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময় লাগছে।
তাদের ভাষ্য, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল দিনের পর দিন পড়ে থাকে। প্রকল্প, বিল পরিশোধ, প্রশাসনিক অনুমোদন এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক সিদ্ধান্তে বিলম্ব হচ্ছে। এতে নাগরিক সেবা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক কর্মকর্তা বলেন, “সচিব ও সিইও—দুটি পদই আলাদা গুরুত্বের। একটি সামলাতে গিয়ে আরেকটি স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিন এভাবে চলা উচিত নয়।”

তবে এসব অভিযোগের বিষয় জানার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিনকে অনেকবার খুদে বার্তা দিয়েও পাওয়া যায়নি । মেয়র ও তৎকালীন সিইওর দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।

একদিকে মেয়র স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তৌহিদুল ইসলামকে অপসারণের সুপারিশ করেন, অন্যদিকে তৌহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন যে প্রশিক্ষণ শেষে তাঁকে কর্মস্থলে যোগদান করতে দেওয়া হয়নি।

তদন্ত হলেও এখন পর্যন্ত সেই তদন্তের ফলাফল কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসেনি।

চসিক সূত্র বলছে, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদটি প্রশাসনিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ দীর্ঘ ১০ মাসেও নতুন কর্মকর্তা পদায়ন না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পদায়নের ক্ষমতা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের হাতে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিটি কর্পোরেশন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে দীর্ঘদিন কাজ চললে কিছু অসুবিধা হওয়া স্বাভাবিক। তবে কর্মকর্তা পদায়ন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আমরা বিষয়টি তাদের জানিয়েছি। তারা কর্মকর্তা দিলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।” অন্যদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের অন্যতম বৃহৎ সিটি কর্পোরেশনে দীর্ঘদিন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকা প্রশাসনিক দুর্বলতারই ইঙ্গিত দেয়।

তাদের মতে, মেয়র ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব যদি কোনো পদ শূন্য থাকার কারণ হয়ে থাকে, তাহলে তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত পড়ে নাগরিক সেবার ওপর। আর সেই খেসারত দিতে হয় সাধারণ নগরবাসীকে। প্রায় ১০ মাস আগে যাকে সরাতে এত তৎপরতা দেখা গিয়েছিল, তাঁর স্থানে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগে কেন এত দীর্ঘসূত্রতা?
চসিকের প্রশাসনিক কার্যক্রম কি সত্যিই স্বাভাবিক রয়েছে, নাকি অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে ধীরগতির শিকার হচ্ছে? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অমীমাংসিত। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মতো বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকা প্রশাসনিক স্বাভাবিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।