আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারজাত শুরু জিআইপণ্য হাঁড়িভাঙার
- আপডেট সময়ঃ ০৮:০০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
- / ১১ বার পড়া হয়েছে
আসাদুজ্জামান আফজাল,রংপুর: আনুষ্ঠানিকভাবে ঐতিহ্যবাহী জিআইপণ্য হাঁড়িভাঙা আমের বাজারজাত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুর দেড়টায় রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পদাগঞ্জে বাগানে হাড়িভাঙা আম ছিড়ে উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন।
পরে পদাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হাঁড়িভাঙা আম চাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি। সভা শেষে জেলা প্রশাসক পদাগঞ্জ হাট পরিদর্শন করেন এবং কৃষক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা বাজারজাতকরণে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ব্যাংকিং সুবিধা, হাটে স্থায়ী শেড, ওয়াশ সুবিধা, হিমাগার নির্মাণ এবং জিআই পণ্য হিসেবে হাঁড়িভাঙ্গা আম রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টির দাবি জানান।
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, হাঁড়িভাঙা আমকে জেলা প্রশাসনের অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আম রফতানি বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার, ওয়াশ ব্লক নির্মাণ, ব্যাংক শাখা স্থাপন এবং ম্যাঙ্গো ট্রেন চালুসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রথম দিনেই পদাগঞ্জ হাটে বিপুল পরিমাণ হাঁড়িভাঙা আমের আমদানি দেখা যায়। তবে সকাল থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে বেচাকেনা তেমন জমেনি। উদ্বোধনের পর শুরু হয় বেচা বিক্রি।
প্রথম দিনে বিপুল পরিমাণে হাড়িভাঙার আমদানি দেখা যায় পদাগঞ্জের হাটে। তবে দুপুর বারোটা পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে খুব একটা বেচা বিক্রি জমেনি। উদ্বোধনের পর শুরু হয় বেচা বিক্রি। বিক্রেতারা জানায়, ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যে আমের মন বিক্রি হচ্ছে। এবার শিলা বৃষ্টিতে হাড়িভাঙ্গা ঝরে যাওয়ায় ফলন ৩০ ভাগ কমে গেছে। তাই দাম বৃদ্ধি না হলে লোকসানের মুখে পড়বেন তারা।
রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সিরাজুল ইসলাম জানান, এবার যেহেতু আমের ফলন একটুখানি কম হয়েছে। তবে আকার বড় হয়েছে। সে কারণে এবার ন্যায্য দাম পাবে কৃষকরা। শুরুর দিকে সামান্য দাম কম হলেও প্রতিদিনই আমের দাম বাড়বে বলেও আশা করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।



















