চরমাধবদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন সাবেক সভাপতি
- আপডেট সময়ঃ ০৮:০১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
- / ৫২ বার পড়া হয়েছে
নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি: নরসিংদী পলাশ থানার চরমাধদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি এম কে মাহফুজুল হক গত ১৪ জুন ২০২৬ ইং রবিবার দিন শিক্ষা সচিব ও নরসিংদী জেলা প্রশাসন ও নরসিংদী প্রেসক্লাব সহ বিভিন্ন দপ্তরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগকারী অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক তার লিখিত অভিযোগ পত্রে বলেন ,আমি চরমাধবদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দাতা ডাঃ ইস্পফিল কাজীর একজন ওয়ারিশ এবং উক্ত বিদ্যালয়ের দু’বারের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি।
জমিদাতার আরো কয়েকজন ডিগ্রীধারী যোগ্যতা সম্পন্ন ওয়ারিশ বিদ্যমান। উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার আমাদের জমিদাতাদের সাথে কোনরূপ আলোচনা না করে আমাদেরকে না জানিয়ে উনি উনার মন ইচ্ছামতো লোকজন দিয়ে বিদ্যালয়ের কমিটি করেছেন বলে আমরা জানতে পারি। উনার এই স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তে আমাদের জমিদাতার ওয়ারিশগন এবং গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক নাসরিন আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ আছে। আমি সভাপতি থাকাকালীন আমার সই জালিয়াতি করে বিল উত্তোলন করেছেন। আমি সই জালিয়াতি কেন করেছেন জিজ্ঞাসা করলে প্রধান শিক্ষিকা বলেন আপনিতো সই দিবেন তাই আমিই দিয়ে দিলাম। আমাদের গ্রামের বিভিন্ন কিস্তার গার্ডেনের সাথে নাসরিন আক্তারের সখ্যতা আছে এবং তার পরিবারের লোকজন সেই সকল কিস্তার গার্ডেনের সাথে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত।
নাসরিন আক্তারের সাথে বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত বাড়ির মালিকের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিলো যা পরবর্তীতে আমি মীমাংসা করে দেই। বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি নির্মাণের সময় গ্রামবাসীদের তোরে মুখে পড়েন এই শিক্ষিকা। যা পরবর্তীতে আমার ও জমিদাতাগনের ওয়ারিশগনের প্রচেষ্টায় সকলের ক্ষোভ মিটিয়ে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি সম্পন্ন করি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার এহেন কর্মকান্ডের ফলে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা দিন কমে যাচ্ছে এবং পড়ালেখার মান ক্ষুন্ন হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের নির্মাণ ঠিকাদারের কাছ থেকে উপহার পেয়ে নিম্নমানের মালামাল দিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছেন বলেও অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও স্কুলের কোমলমতি বাচ্চাদের দৈনন্দিন টিফিনেও তার দুর্নীতির অভিযোগ আছে। দুর্নীতির অভিযোগে গ্রামবাসী কয়েকবার কাজ বন্ধ করে দেয়। নাসরিন আক্তারের এমন কর্মকান্ডে উনি এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে থাকার নৈতিকতা হারিয়েছেন মর্মে
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা নাসরিন আক্তারকে অপসারণ ও বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করতঃ অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার এবং গ্রামবাসীর ক্ষোভের কারনে অনাকাঙ্খিত ঘটনার পরিত্রান চান অভিযোগকারী অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি



















