গাজীপুরে চাঁ’দাবাজির অভিযোগে যুবদল নেতাকে গাছে বেঁধে পি’টা’লো এলাকাবাসী
- আপডেট সময়ঃ ০৬:১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
- / ১৮ বার পড়া হয়েছে
গাজীপুরের সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক যুবদল নেতাকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। সোমবার সকালে রুদ্রপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক সাব্বির আহমেদ শামীম রুদ্রপুর গ্রামের আরফান আলীর ছেলে এবং ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাইলস ব্যবসায়ী নূরুদ্দিন খন্দকার খোকন তার কেনা জমিতে বালু ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের কাজ করছিলেন। এ সময় সাব্বির আহমেদ শামীম সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আটক করে রশি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জানান, তিনি ১১ দশমিক ৫৫ শতাংশ জমির বৈধ মালিক এবং দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখলে রেখেছেন। রোববার বিকেলে জমিতে কাজ চলাকালে শামীম ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং জমিতে কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়।
পরদিন সোমবার সকালে পুনরায় কাজ শুরু হলে আবারও তারা সেখানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন এবং একপর্যায়ে খোকনের ওপর হামলা চালান। এতে তিনি আহত হন। পরে স্থানীয়রা শামীমকে আটক করে গাছে বেঁধে রাখেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাব্বির আহমেদ শামীম বলেন, বালু ভরাটের কাজ তাদের জমির ওপর দিয়ে হওয়ায় তিনি বাধা দিয়েছেন, চাঁদা দাবির অভিযোগ সঠিক নয়।
ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সংগঠনের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে জয়দেবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন কর জানান, অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নূরুদ্দিন খন্দকার খোকন একটি মামলা দায়ের করেছেন।




















