এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ উদ্ধার: বাস চালক সোহেলের দায় স্বীকার
- আপডেট সময়ঃ ১১:০১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৩৪ বার পড়া হয়েছে
কোর্ট রিপোর্টার: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ মারা অবস্থায় ইসমাইল হোসেন নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার রাজ ক্লাসিক বাসের চালক সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম তালুকদার। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গত ৬ সেপ্টেম্বর একই মামলায় গ্রেপ্তার রাজ ক্লাসিক বাসের সুপারভাইজার সাজু লস্কার ও সহকারী মাহবুব আলম মনির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে বাসচালক সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ইসমাইল হোসেন জামালপুরের গ্রামের বাড়ি থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হন। তার সঙ্গে গ্রামের জমি বিক্রির নগদ পাঁচ লাখ টাকা এবং বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী ছিল। ইসমাইলের ছেলে হাসান গাজীপুরের জিরানী বাসস্ট্যান্ডে বাবার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তবে বাবার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে বনানী থানার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী থেকে কুড়িলগামী অংশের ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী সড়কে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। তবে মরদেহের সঙ্গে নগদ টাকা বা গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা মালামাল পাওয়া যায়নি। পরে স্বজনরা মরদেহটি ইসমাইল হোসেনের বলে শনাক্ত করেন। ওই ঘটনায় বনানী থানায় গত ৪ সেপ্টেম্বর নিহতের ছেলে মো. হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

























