ঢাকা, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ | ই-পেপার

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে আহত তৌফিকের মৃত্যু

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১০:১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৪ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনে হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত তৌফিক শেখ (২১) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বাংলাবাজার এলাকার সিং জিং জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে।

তৌফিকের কাকা বাচ্চু মিয়া জানান, পাঁচ বছর ধরে গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বসবাস করছিলেন তৌফিক। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে এক বন্ধুর মাধ্যমে লায়লা গার্মেন্টসে চাকরি নেন তিনি। শ্রমিক আন্দোলনে আহত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যু হয়।

তৌফিকের স্কুলশিক্ষক প্রদীপ কুমার জানান, বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের অভাব দূর করতে ঢাকায় পাড়ি জমান তৌফিক। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনছি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে তৌফিক। আজ সকালে খবর এলো, আইসিইউতে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।’

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে হামলার ঘটনা মোবাইল ফোনে ধারণ করার চেষ্টা করেন তৌফিক। এ সময় হামলাকারীরা তাঁর ওপর চড়াও হয়। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হলে গুরুতর আহত হন তিনি।

পরে আন্দোলনরত শ্রমিকরা তৌফিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

এদিকে, এ ঘটনায় গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন। এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তৌফিকের দাফনের জন্য আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে আহত তৌফিকের মৃত্যু

আপডেট সময়ঃ ১০:১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনে হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত তৌফিক শেখ (২১) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বাংলাবাজার এলাকার সিং জিং জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে।

তৌফিকের কাকা বাচ্চু মিয়া জানান, পাঁচ বছর ধরে গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বসবাস করছিলেন তৌফিক। বাবার মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে এক বন্ধুর মাধ্যমে লায়লা গার্মেন্টসে চাকরি নেন তিনি। শ্রমিক আন্দোলনে আহত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যু হয়।

তৌফিকের স্কুলশিক্ষক প্রদীপ কুমার জানান, বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের অভাব দূর করতে ঢাকায় পাড়ি জমান তৌফিক। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনছি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে তৌফিক। আজ সকালে খবর এলো, আইসিইউতে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।’

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে হামলার ঘটনা মোবাইল ফোনে ধারণ করার চেষ্টা করেন তৌফিক। এ সময় হামলাকারীরা তাঁর ওপর চড়াও হয়। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হলে গুরুতর আহত হন তিনি।

পরে আন্দোলনরত শ্রমিকরা তৌফিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

এদিকে, এ ঘটনায় গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন। এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তৌফিকের দাফনের জন্য আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন।