ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ‘পুরোপুরি সুস্থ’: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
- আপডেট সময়ঃ ১১:১০:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
- / ৯ বার পড়া হয়েছে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে মুখ খুলেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি জানিয়েছেন, খামেনি শারীরিকভাবে ‘পুরোপুরি সুস্থ’ আছেন। দীর্ঘ সাত ঘণ্টার এই বৈঠকে দেশের মানুষের জীবনযাত্রা, কর্মসংস্থান, আবাসন, নিষেধাজ্ঞাজনিত সমস্যা এবং জাতীয় ঐক্যসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান একথা বলেন বলে সোমবার (১০ আগস্ট) আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে এবং সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, শারীরিকভাবে খামেনি পুরোপুরি সুস্থ রয়েছেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘তিনি (আমাদেরকে) তার পরামর্শ দিয়েছেন, আর আমি আমার উদ্বেগ ও সমস্যাগুলো তুলে ধরেছি। তিনি স্বাভাবিকভাবেই আমার কথা শুনেছেন ‘
মোজতবা খামেনিকে হন্যে হয়ে খুঁজছে মোসাদ-সিআইএ, পাল্টা অভিনব কৌশল ইরানের
এর আগে ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ইরনা জানায়, দেশের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করতে খামেনি ও পেজেশকিয়ান সাত ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন। পেজেশকিয়ান বলেন, দেশের ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখাই ছিল সর্বোচ্চ নেতার দেয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ।
পেজেশকিয়ান জানান, বৈঠকে মূলত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, কর্মসংস্থান ও আবাসন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ‘নিষেধাজ্ঞার কারণে তৈরি হওয়া সমস্যাগুলো’ নিয়েও কথা হয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে আছে তেহরান। এর ফলে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। জবাবে ইরান ওই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
এরপর এপ্রিল মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। পরে জুনে দুই দেশ সামরিক সংঘাত বন্ধ করে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে।
তবে গত মাসে সেই সমঝোতা ভেস্তে যায়। এরপর প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটন পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলা চালায়। পরে সংঘাত নিরসনে আলোচনার উদ্যোগের খবরের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ করে হামলা বন্ধের নির্দেশ দেন।

























