ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ | ই-পেপার

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলার মাটিতে জিন্দেগিতে প্রতিষ্ঠিত হবে না: কামরুল

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২
  • / ২৫০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ন্যাড়া বেলতলায় একবারই যায় মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, ওই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলার মাটিতে জিন্দেগিতে প্রতিষ্ঠিত হবে না, প্রশ্নই আসে না। যত আন্দোলন করেন, যতই লাফালাফি করেন, ওই অবস্থায় বাংলাদেশ ফিরে যাবে না। আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট এই সভার আয়োজন করে। তিনি বলেন, বিএনপি ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কফিনে শেষ পেরেক মেরেছিল। তারেক রহমানকে যেভাবে পিটিয়েছে, মেরুদ-ের হাড় ভেঙে দিয়েছিল তখন আর্মিরা, নাকে খত দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়েছিল। হেঁটে যেতে পারে নাই, দেশ ছাড়তে হুইল চেয়ারে করে এয়ারপোর্ট যেতে হয়েছিল। এই স্মৃতি কি তাদের মনে পড়ে না? বেহায়ার মতো আবার নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলে। আবার সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়। কামরুল ইসলাম বলেন, তিন মাসের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুই বছর ছিল। মাইনাস থিওরিতে আমার নেত্রীকে জেলে নিয়েছিল, তোমার নেত্রীকে জেলে নিয়েছিল। আজ খালেদা জিয়া যেই মামলায় জেলে, সেটা তখনকার তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে হয়েছিল। তাদের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন করেছিল, আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন হয়েছিল, সেই কথা কি আমরা ভুলে গেছি? বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদের যে কথাবার্তা, লজ্জা লাগে। আমাদের পায়ে পারা দিয়ে ঝগড়া করতে চায়। যেই ভাষায় আমাদের লোকজনের বিরুদ্ধে কথা বলে, যে ভাষায় তারা হুঙ্কার দিচ্ছে আমাদের নেতাকর্মীদের উত্তেজিত করার জন্য, আমাদের তৃণমূল নেতাকর্মীরা যাতে উত্তেজিত হয়, তাদের ওপর আক্রমণ করে। আমাদের নেতাকর্মীরা ধৈর্য ধরে আছে। এজন্য তারা অরাজনৈতিক ভাষায়, নোংরা ভাষায় আজকে আস্ফালন করছে। তাদের আর বরদাস্ত করা হবে না, মাঠে থাকতে দেওয়া যাবে না। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ডা. অরূপ রতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, বিএনপি একটা সুযোগের অপেক্ষায় আছে। একেক সময় একেকটা সুযোগ আসে ছোট বড়, সেটাকে পুঁজি করেই তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। নির্বাচনের আরও এক বছর আছে। এর আগেই তারা ক্ষমতা দখলের জন্য, উল্টোপথে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য পাঁয়তারা শুরু করেছে। তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস রক্তে ভেজা মাস, সেই মাসে তারা সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চায়। আমানউল্লাহ আমানের মতো নেতা বক্তব্য দেন ১০ তারিখের পর শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকবে না। স্বাধীনতার মাসে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে তারা ঘোষণা দেয়। বিজয়ের মাসে বিএনপিকে সারাদেশের কোথাও নামতে দেওয়া হবে না। মাসব্যাপী আমাদের কর্মসূচি থাকবে। সকালে একটা, বিকেলে আরেকটা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলার মাটিতে জিন্দেগিতে প্রতিষ্ঠিত হবে না: কামরুল

আপডেট সময়ঃ ০৮:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ন্যাড়া বেলতলায় একবারই যায় মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, ওই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলার মাটিতে জিন্দেগিতে প্রতিষ্ঠিত হবে না, প্রশ্নই আসে না। যত আন্দোলন করেন, যতই লাফালাফি করেন, ওই অবস্থায় বাংলাদেশ ফিরে যাবে না। আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট এই সভার আয়োজন করে। তিনি বলেন, বিএনপি ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কফিনে শেষ পেরেক মেরেছিল। তারেক রহমানকে যেভাবে পিটিয়েছে, মেরুদ-ের হাড় ভেঙে দিয়েছিল তখন আর্মিরা, নাকে খত দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়েছিল। হেঁটে যেতে পারে নাই, দেশ ছাড়তে হুইল চেয়ারে করে এয়ারপোর্ট যেতে হয়েছিল। এই স্মৃতি কি তাদের মনে পড়ে না? বেহায়ার মতো আবার নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলে। আবার সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়। কামরুল ইসলাম বলেন, তিন মাসের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুই বছর ছিল। মাইনাস থিওরিতে আমার নেত্রীকে জেলে নিয়েছিল, তোমার নেত্রীকে জেলে নিয়েছিল। আজ খালেদা জিয়া যেই মামলায় জেলে, সেটা তখনকার তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে হয়েছিল। তাদের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন করেছিল, আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন হয়েছিল, সেই কথা কি আমরা ভুলে গেছি? বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদের যে কথাবার্তা, লজ্জা লাগে। আমাদের পায়ে পারা দিয়ে ঝগড়া করতে চায়। যেই ভাষায় আমাদের লোকজনের বিরুদ্ধে কথা বলে, যে ভাষায় তারা হুঙ্কার দিচ্ছে আমাদের নেতাকর্মীদের উত্তেজিত করার জন্য, আমাদের তৃণমূল নেতাকর্মীরা যাতে উত্তেজিত হয়, তাদের ওপর আক্রমণ করে। আমাদের নেতাকর্মীরা ধৈর্য ধরে আছে। এজন্য তারা অরাজনৈতিক ভাষায়, নোংরা ভাষায় আজকে আস্ফালন করছে। তাদের আর বরদাস্ত করা হবে না, মাঠে থাকতে দেওয়া যাবে না। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ডা. অরূপ রতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, বিএনপি একটা সুযোগের অপেক্ষায় আছে। একেক সময় একেকটা সুযোগ আসে ছোট বড়, সেটাকে পুঁজি করেই তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। নির্বাচনের আরও এক বছর আছে। এর আগেই তারা ক্ষমতা দখলের জন্য, উল্টোপথে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য পাঁয়তারা শুরু করেছে। তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস রক্তে ভেজা মাস, সেই মাসে তারা সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চায়। আমানউল্লাহ আমানের মতো নেতা বক্তব্য দেন ১০ তারিখের পর শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকবে না। স্বাধীনতার মাসে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে তারা ঘোষণা দেয়। বিজয়ের মাসে বিএনপিকে সারাদেশের কোথাও নামতে দেওয়া হবে না। মাসব্যাপী আমাদের কর্মসূচি থাকবে। সকালে একটা, বিকেলে আরেকটা।