সাদুল্লাপুরে জমি বিরোধে হামলা-মারধরের অভিযোগ, স্বর্ণের চেইন ছিনতাই ও গাছপালা ভাঙচুর
- আপডেট সময়ঃ ০৩:০২:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
- / ৪ বার পড়া হয়েছে
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, মারধর, স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া ও গাছপালা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোছা. হোসনে আরা বাদী হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে এজাহার দাখিল করেছেন।
এজাহারে উল্লেখ করা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—মো. ফজলুল হক (৫৫), মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (৪৮), মো. রেজাউল করিম (৪৫), মো. রঞ্জু মিয়াসহ আরও কয়েকজন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার ৪ নম্বর জামালপুর ইউনিয়নের পাতিল্যাকুড়া এলাকায় জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১ আগস্ট দুপুরে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে একটি শালিসের আয়োজন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, শালিসে উপস্থিত না হয়ে একপর্যায়ে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে বাদীপক্ষের ওপর হামলা চালান।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, ১ নম্বর আসামি মো. ফজলুল হক ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে বাদীর স্বামীর মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত হন। এছাড়া ৫ নম্বর আসামি মো. ইয়াছিন মিয়া লোহার রড দিয়ে তাকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলার সময় এক নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগও করা হয়েছে। এ সময় তার গলায় থাকা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন টান দিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন বাদী।
এছাড়া বাদীপক্ষের লাগানো প্রায় ২০ থেকে ২২টি মেহগনি ও ইউক্যালিপটাস গাছ ভাঙচুর করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আনুমানিক ৪ থেকে ৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মোছা. হোসনে আরা সাদুল্লাপুর থানায় এজাহার দাখিল করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষই থানায় এজাহার দাখিল করেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


















